লন্ডনের এমিরেটস স্টেডিয়ামে এক অবিশ্বাস্য রাতে বুকায়ো সাকার একমাত্র গোলে আতলেতিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে দীর্ঘ ২০ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেছে আর্সেনাল। সেমিফাইনালের প্রথম লেগ ১-১ ড্র হওয়ার পর, দ্বিতীয় লেগ ১-০ ব্যবধানে জিতে দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ অগ্রগামিতায় ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে মিকেল আর্তেতার দল। ম্যাচের ৪৪ মিনিটে ভিক্টর ইয়োকেরেশ ও লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ডের প্রচেষ্টায় তৈরি হওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে চার গজ দূর থেকে জয়সূচক গোলটি করেন সাকা।
পুরো ম্যাচজুড়ে এমিরেটসের গ্যালারি ছিল উৎসবমুখর, আর এই গোলের পর সমর্থকদের উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়। দ্বিতীয়য়ার্ধে সমতায় ফিরতে মরিয়া আতলেতিকো মাদ্রিদ বেশ কিছু আক্রমণ করলেও গোলকিপার ডেভিড রায়া এবং রক্ষণভাগের গাব্রিয়েল ম্যাগালহায়েসের দৃঢ়তায় কোনো গোল হজম করেনি গানার্সরা। এই জয়ের ফলে ২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো ইউরোপের সর্বোচ্চ আসরের ফাইনালে পা রাখল ক্লাবটি।
আগামী ৩০ মে বুদাপেস্টে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালে আর্সেনাল মুখোমুখি হবে পিএসজি অথবা বায়ার্ন মিউনিখের। ২০০৬ সালে বার্সেলোনার কাছে ফাইনালে হারের পর এবার শিরোপা জিততে পারলে এটিই হবে ক্লাবের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সাফল্য। কোচ মিকেল আর্তেতাও আগে থেকেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বপ্ন দেখছিলেন, যা এখন বাস্তবায়নের মাত্র এক ধাপ দূরে।
ইউরোপীয় সাফল্যের পাশাপাশি ঘরোয়া লিগেও সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে আর্সেনাল। প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা দৌড়ে ম্যানচেস্টার সিটির চেয়ে এগিয়ে থাকা দলটি এখন ট্রেবল জয়ের স্বপ্ন দেখছে। একাডেমি থেকে উঠে আসা বুকায়ো সাকাই এখন ক্লাবের ইতিহাসের এই নতুন অধ্যায়ের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন, যার অবদানে আর্সেনাল এখন এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছানোর অপেক্ষায়।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
লন্ডনের এমিরেটস স্টেডিয়ামে এক অবিশ্বাস্য রাতে বুকায়ো সাকার একমাত্র গোলে আতলেতিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে দীর্ঘ ২০ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেছে আর্সেনাল। সেমিফাইনালের প্রথম লেগ ১-১ ড্র হওয়ার পর, দ্বিতীয় লেগ ১-০ ব্যবধানে জিতে দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ অগ্রগামিতায় ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে মিকেল আর্তেতার দল। ম্যাচের ৪৪ মিনিটে ভিক্টর ইয়োকেরেশ ও লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ডের প্রচেষ্টায় তৈরি হওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে চার গজ দূর থেকে জয়সূচক গোলটি করেন সাকা।
পুরো ম্যাচজুড়ে এমিরেটসের গ্যালারি ছিল উৎসবমুখর, আর এই গোলের পর সমর্থকদের উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়। দ্বিতীয়য়ার্ধে সমতায় ফিরতে মরিয়া আতলেতিকো মাদ্রিদ বেশ কিছু আক্রমণ করলেও গোলকিপার ডেভিড রায়া এবং রক্ষণভাগের গাব্রিয়েল ম্যাগালহায়েসের দৃঢ়তায় কোনো গোল হজম করেনি গানার্সরা। এই জয়ের ফলে ২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো ইউরোপের সর্বোচ্চ আসরের ফাইনালে পা রাখল ক্লাবটি।
আগামী ৩০ মে বুদাপেস্টে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালে আর্সেনাল মুখোমুখি হবে পিএসজি অথবা বায়ার্ন মিউনিখের। ২০০৬ সালে বার্সেলোনার কাছে ফাইনালে হারের পর এবার শিরোপা জিততে পারলে এটিই হবে ক্লাবের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সাফল্য। কোচ মিকেল আর্তেতাও আগে থেকেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বপ্ন দেখছিলেন, যা এখন বাস্তবায়নের মাত্র এক ধাপ দূরে।
ইউরোপীয় সাফল্যের পাশাপাশি ঘরোয়া লিগেও সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে আর্সেনাল। প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা দৌড়ে ম্যানচেস্টার সিটির চেয়ে এগিয়ে থাকা দলটি এখন ট্রেবল জয়ের স্বপ্ন দেখছে। একাডেমি থেকে উঠে আসা বুকায়ো সাকাই এখন ক্লাবের ইতিহাসের এই নতুন অধ্যায়ের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন, যার অবদানে আর্সেনাল এখন এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছানোর অপেক্ষায়।

আপনার মতামত লিখুন