পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক রাজনৈতিক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, নদিয়া, হাওড়া ও বাঁকুড়াসহ একাধিক জেলায় খুন, হামলা, ভাঙচুর এবং দলীয় কার্যালয় দখলের ঘটনায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির জন্য শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং প্রধান বিরোধী দল বিজেপি একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে।
সহিংসতায় বীরভূমের নানুরে আবির শেখ নামে এক তৃণমূল কর্মী নিহত হয়েছেন, যাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, হাওড়ার উদয়নপুরে যাদব বর নামে এক বিজেপি সমর্থককে তুলে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। উভয় হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকাগুলোতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল ও বিজেপির দলীয় কার্যালয়গুলোতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। শিলিগুড়ি, বারুইপুর এবং নদিয়ার কৃষ্ণনগরে তৃণমূলের কার্যালয় ভাঙচুরের পর সেখানে বিজেপির পতাকা টাঙানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। একইভাবে বাঁকুড়ার পাঁচবাগা মোড় ও গোবিন্দনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকার কার্যালয়গুলোও হামলার শিকার হয়েছে। অন্যদিকে, বারুইপুর পূর্বের চম্পাহাটিতে পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাওয়ের ঘটনায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
বাঁকুড়ার বিভিন্ন কলেজে ছাত্র সংসদের ঘর অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) দখল করে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতেও বিজেপি কর্মীদের পথ আটকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। অধিকাংশ ঘটনায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুললেও উভয় দলই তাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার দাবি অস্বীকার করে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক রাজনৈতিক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, নদিয়া, হাওড়া ও বাঁকুড়াসহ একাধিক জেলায় খুন, হামলা, ভাঙচুর এবং দলীয় কার্যালয় দখলের ঘটনায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির জন্য শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং প্রধান বিরোধী দল বিজেপি একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে।
সহিংসতায় বীরভূমের নানুরে আবির শেখ নামে এক তৃণমূল কর্মী নিহত হয়েছেন, যাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, হাওড়ার উদয়নপুরে যাদব বর নামে এক বিজেপি সমর্থককে তুলে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। উভয় হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকাগুলোতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল ও বিজেপির দলীয় কার্যালয়গুলোতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। শিলিগুড়ি, বারুইপুর এবং নদিয়ার কৃষ্ণনগরে তৃণমূলের কার্যালয় ভাঙচুরের পর সেখানে বিজেপির পতাকা টাঙানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। একইভাবে বাঁকুড়ার পাঁচবাগা মোড় ও গোবিন্দনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকার কার্যালয়গুলোও হামলার শিকার হয়েছে। অন্যদিকে, বারুইপুর পূর্বের চম্পাহাটিতে পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাওয়ের ঘটনায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
বাঁকুড়ার বিভিন্ন কলেজে ছাত্র সংসদের ঘর অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) দখল করে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতেও বিজেপি কর্মীদের পথ আটকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। অধিকাংশ ঘটনায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুললেও উভয় দলই তাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার দাবি অস্বীকার করে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন