যুদ্ধবিরতির ঘোষণার মধ্যেই ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ২৬ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে চালানো এই হামলায় আহত হয়েছেন ৮০ জনেরও বেশি মানুষ। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার এই পদক্ষেপকে ‘চরম নৈরাশ্যজনক ও নির্লজ্জ আচরণ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
রুশ বাহিনীর শক্তিশালী গ্লাইড বোমা ইউক্রেনের পূর্বের ক্রামাতোরস্ক, দক্ষিণ-পূর্বের জাপোরিঝিয়া এবং উত্তরের চেরনিহিভ অঞ্চলে আঘাত হানে। কিয়েভের ঘোষিত যুদ্ধবিরতি শুরুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এই হামলা চালানো হয়। জাপোরিঝিয়ার গভর্নর ইভান ফেদোরভ জানিয়েছেন, শুধুমাত্র এই অঞ্চলেই অন্তত ১২ জন নিহত এবং ১২ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে দোনেৎস্ক অঞ্চলের ক্রামাতোরস্কে অন্তত পাঁচজন এবং দিনিপ্রো শহরে চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া পোলতাভা ও খারকিভ অঞ্চলের সরকারি গ্যাস স্থাপনায় সোমবার দিবাগত রাতে দফায় দফায় হামলায় আরও পাঁচজন নিহত হয়েছেন। ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি নাফতোজাজ জানিয়েছে, হামলায় তাদের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি প্রায় তিন হাজার ৫০০ গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
উল্লেখ্য যে, গত সোমবার কিয়েভ ও মস্কো পাল্টাপাল্টি যুদ্ধবিরতি কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছিল। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি শুরুর প্রস্তুতি থাকলেও রাশিয়ার পক্ষ থেকে আগামী তিন দিনের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি শুরুর পরিকল্পনা ছিল। তবে তার আগেই এই ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটল।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
যুদ্ধবিরতির ঘোষণার মধ্যেই ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ২৬ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে চালানো এই হামলায় আহত হয়েছেন ৮০ জনেরও বেশি মানুষ। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার এই পদক্ষেপকে ‘চরম নৈরাশ্যজনক ও নির্লজ্জ আচরণ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
রুশ বাহিনীর শক্তিশালী গ্লাইড বোমা ইউক্রেনের পূর্বের ক্রামাতোরস্ক, দক্ষিণ-পূর্বের জাপোরিঝিয়া এবং উত্তরের চেরনিহিভ অঞ্চলে আঘাত হানে। কিয়েভের ঘোষিত যুদ্ধবিরতি শুরুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এই হামলা চালানো হয়। জাপোরিঝিয়ার গভর্নর ইভান ফেদোরভ জানিয়েছেন, শুধুমাত্র এই অঞ্চলেই অন্তত ১২ জন নিহত এবং ১২ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে দোনেৎস্ক অঞ্চলের ক্রামাতোরস্কে অন্তত পাঁচজন এবং দিনিপ্রো শহরে চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া পোলতাভা ও খারকিভ অঞ্চলের সরকারি গ্যাস স্থাপনায় সোমবার দিবাগত রাতে দফায় দফায় হামলায় আরও পাঁচজন নিহত হয়েছেন। ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি কোম্পানি নাফতোজাজ জানিয়েছে, হামলায় তাদের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি প্রায় তিন হাজার ৫০০ গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
উল্লেখ্য যে, গত সোমবার কিয়েভ ও মস্কো পাল্টাপাল্টি যুদ্ধবিরতি কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছিল। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতি শুরুর প্রস্তুতি থাকলেও রাশিয়ার পক্ষ থেকে আগামী তিন দিনের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি শুরুর পরিকল্পনা ছিল। তবে তার আগেই এই ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটল।

আপনার মতামত লিখুন