হালকা পেটব্যথা, খাবারে অনীহা কিংবা অকারণে ওজন কমে যাওয়ার মতো সাধারণ উপসর্গগুলো অনেক সময় অগ্ন্যাশয় বা প্যানক্রিয়াস ক্যানসারের প্রাথমিক সংকেত হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, এই ক্যানসারটি শুরুতে সহজে ধরা পড়ে না এবং কোনো নিয়মিত স্ক্রিনিং পরীক্ষাও নেই। ফলে অধিকাংশ মানুষ একে গ্যাস্ট্রিক বা বদহজম ভেবে অবহেলা করেন, যা রোগটি শনাক্তে বিলম্ব ঘটায়। প্যানক্রিয়াস শরীরের গভীরে থাকায় টিউমার তৈরি হলেও তা শুরুতে বোঝা যায় না, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের অন্যতম প্রধান লক্ষণ হলো চোখ ও ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া বা জন্ডিস। এর পাশাপাশি প্রস্রাবের রং গাঢ় হওয়া এবং পায়খানা ফ্যাকাসে হওয়ার মতো পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। এছাড়া ডায়েট বা ব্যায়াম ছাড়াই দ্রুত ওজন কমে যাওয়া এবং ওপরের পেট বা পিঠে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা হওয়া এই রোগের গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গ। বিশেষ করে ৫০ বছরের পর নতুন করে ডায়াবেটিস ধরা পড়লে চিকিৎসকেরা অগ্ন্যাশয় পরীক্ষার ওপর জোর দিয়ে থাকেন।
হজমে অস্বাভাবিক পরিবর্তন যেমন—তৈলাক্ত বা ভাসমান পায়খানা, পেট ফাঁপা, বমিভাব এবং দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তিও এই ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৫০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তি, ধূমপায়ী, অতিরিক্ত ওজনধারী এবং যাদের পরিবারে এই ক্যানসারের ইতিহাস রয়েছে, তারা উচ্চ ঝুঁকিতে থাকেন। এছাড়া অতিরিক্ত মদ্যপান ও প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার অভ্যাসও ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
শরীরে দীর্ঘ সময় ধরে এমন কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে তাকে সাধারণ সমস্যা মনে না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সময়মতো রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা শুরু করাই এই মরণব্যাধি মোকাবিলার প্রধান উপায়। মূলত সচেতনতার অভাবেই এই ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ার পর শনাক্ত হয় বলে তারা উল্লেখ করেন।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
হালকা পেটব্যথা, খাবারে অনীহা কিংবা অকারণে ওজন কমে যাওয়ার মতো সাধারণ উপসর্গগুলো অনেক সময় অগ্ন্যাশয় বা প্যানক্রিয়াস ক্যানসারের প্রাথমিক সংকেত হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, এই ক্যানসারটি শুরুতে সহজে ধরা পড়ে না এবং কোনো নিয়মিত স্ক্রিনিং পরীক্ষাও নেই। ফলে অধিকাংশ মানুষ একে গ্যাস্ট্রিক বা বদহজম ভেবে অবহেলা করেন, যা রোগটি শনাক্তে বিলম্ব ঘটায়। প্যানক্রিয়াস শরীরের গভীরে থাকায় টিউমার তৈরি হলেও তা শুরুতে বোঝা যায় না, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের অন্যতম প্রধান লক্ষণ হলো চোখ ও ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া বা জন্ডিস। এর পাশাপাশি প্রস্রাবের রং গাঢ় হওয়া এবং পায়খানা ফ্যাকাসে হওয়ার মতো পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। এছাড়া ডায়েট বা ব্যায়াম ছাড়াই দ্রুত ওজন কমে যাওয়া এবং ওপরের পেট বা পিঠে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা হওয়া এই রোগের গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গ। বিশেষ করে ৫০ বছরের পর নতুন করে ডায়াবেটিস ধরা পড়লে চিকিৎসকেরা অগ্ন্যাশয় পরীক্ষার ওপর জোর দিয়ে থাকেন।
হজমে অস্বাভাবিক পরিবর্তন যেমন—তৈলাক্ত বা ভাসমান পায়খানা, পেট ফাঁপা, বমিভাব এবং দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তিও এই ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৫০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তি, ধূমপায়ী, অতিরিক্ত ওজনধারী এবং যাদের পরিবারে এই ক্যানসারের ইতিহাস রয়েছে, তারা উচ্চ ঝুঁকিতে থাকেন। এছাড়া অতিরিক্ত মদ্যপান ও প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার অভ্যাসও ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
শরীরে দীর্ঘ সময় ধরে এমন কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে তাকে সাধারণ সমস্যা মনে না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সময়মতো রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা শুরু করাই এই মরণব্যাধি মোকাবিলার প্রধান উপায়। মূলত সচেতনতার অভাবেই এই ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ার পর শনাক্ত হয় বলে তারা উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন