স্বামী-স্ত্রী দুজনই থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক হলে সন্তানদের মধ্যে এই জটিল রক্তস্বল্পতা জনিত রোগ দেখা দেয় বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। এই ঝুঁকি এড়াতে বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রীর রক্তের কিছু পরীক্ষা রাষ্ট্রীয় আইন করে বাধ্যতামূলক করার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার সকালে রাজধানীর মালিবাগে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে দেশের কোনো হাসপাতালে থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসার সুযোগ সৃষ্টি না হলেও বর্তমান সরকার সবার জন্য চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই রোগ নির্মূলে থ্যালাসেমিয়া নির্ণয়ে একটি জাতীয় গাইডলাইন প্রণয়ন এবং সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যমের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হলে থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মাঝে সুস্পষ্ট ধারণা তৈরি হবে। চিকিৎসার পাশাপাশি আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকলে এ রোগের প্রকোপ অনেকাংশে কমে আসবে। এছাড়া থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ওষুধ সহজলভ্য করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
সেমিনারে থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার শিশু এই রোগ নিয়ে জন্মগ্রহণ করছে এবং বর্তমানে দেশে ৬০ থেকে ৭০ হাজার থ্যালাসেমিয়া রোগী রয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মন্ত্রী সাধারণ মানুষকে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য নিয়মিত রক্তদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
স্বামী-স্ত্রী দুজনই থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক হলে সন্তানদের মধ্যে এই জটিল রক্তস্বল্পতা জনিত রোগ দেখা দেয় বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। এই ঝুঁকি এড়াতে বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রীর রক্তের কিছু পরীক্ষা রাষ্ট্রীয় আইন করে বাধ্যতামূলক করার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার সকালে রাজধানীর মালিবাগে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে দেশের কোনো হাসপাতালে থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসার সুযোগ সৃষ্টি না হলেও বর্তমান সরকার সবার জন্য চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই রোগ নির্মূলে থ্যালাসেমিয়া নির্ণয়ে একটি জাতীয় গাইডলাইন প্রণয়ন এবং সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যমের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হলে থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মাঝে সুস্পষ্ট ধারণা তৈরি হবে। চিকিৎসার পাশাপাশি আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকলে এ রোগের প্রকোপ অনেকাংশে কমে আসবে। এছাড়া থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ওষুধ সহজলভ্য করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
সেমিনারে থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার শিশু এই রোগ নিয়ে জন্মগ্রহণ করছে এবং বর্তমানে দেশে ৬০ থেকে ৭০ হাজার থ্যালাসেমিয়া রোগী রয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মন্ত্রী সাধারণ মানুষকে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য নিয়মিত রক্তদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন