অ্যাজমা বা হাঁপানি মানেই কেবল শ্বাসকষ্ট বা বুক দিয়ে বাঁশির মতো শব্দ হওয়া নয়। অনেক ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট ছাড়াই হাঁপানি শরীরে আক্রমণ করতে পারে এবং সাধারণ লক্ষণগুলো অবহেলার কারণে রোগটি পরে ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হাঁপানির অন্যতম লুকানো সংকেত হলো দীর্ঘস্থায়ী শুকনো কাশি, যা মূলত রাত বা ভোরের দিকে বৃদ্ধি পায়।
হাসলে, জোরে কথা বললে কিংবা ঠান্ডা বাতাসের সংস্পর্শে এলে যদি কাশি শুরু হয়, তবে বুঝতে হবে শ্বাসনালী অত্যন্ত সংবেদনশীল। এটি হাঁপানির একটি প্রাথমিক ধাপ। অনেক সময় শ্বাসকষ্ট না হলেও বুক ভারী হয়ে থাকা বা প্রাণভরে নিঃশ্বাস নিতে না পারার মতো অস্বস্তি দেখা দেয়। বিশেষ করে হাঁটার সময় বা সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় বুকে চাপ অনুভব করা একটি বিপজ্জনক লক্ষণ।
শিশুদের ক্ষেত্রে এই রোগ শনাক্ত করা আরও কঠিন হতে পারে। কোনো শিশু যদি হঠাৎ খেলাধুলায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলে বা দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তবে তা 'লুকানো অ্যাজমা' হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া 'কাফ ভ্যারিয়েন্ট অ্যাজমা' নামক এক ধরনের হাঁপানিতে শ্বাসকষ্টের কোনো উপস্থিতি ছাড়াই কেবল কাশি একমাত্র লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয়, যেখানে সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিক কোনো কাজ করে না।
ধুলোবালি, কড়া সুগন্ধি বা আবহাওয়ার পরিবর্তনে বারবার কাশি হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, একটি সাধারণ 'স্পাইরোমেট্রি' পরীক্ষার মাধ্যমেই এই রোগ নির্ণয় করা সম্ভব। সঠিক সময়ে রোগ শনাক্ত করে চিকিৎসা শুরু করলে হাঁপানি নিয়েও একজন মানুষ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
অ্যাজমা বা হাঁপানি মানেই কেবল শ্বাসকষ্ট বা বুক দিয়ে বাঁশির মতো শব্দ হওয়া নয়। অনেক ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট ছাড়াই হাঁপানি শরীরে আক্রমণ করতে পারে এবং সাধারণ লক্ষণগুলো অবহেলার কারণে রোগটি পরে ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হাঁপানির অন্যতম লুকানো সংকেত হলো দীর্ঘস্থায়ী শুকনো কাশি, যা মূলত রাত বা ভোরের দিকে বৃদ্ধি পায়।
হাসলে, জোরে কথা বললে কিংবা ঠান্ডা বাতাসের সংস্পর্শে এলে যদি কাশি শুরু হয়, তবে বুঝতে হবে শ্বাসনালী অত্যন্ত সংবেদনশীল। এটি হাঁপানির একটি প্রাথমিক ধাপ। অনেক সময় শ্বাসকষ্ট না হলেও বুক ভারী হয়ে থাকা বা প্রাণভরে নিঃশ্বাস নিতে না পারার মতো অস্বস্তি দেখা দেয়। বিশেষ করে হাঁটার সময় বা সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় বুকে চাপ অনুভব করা একটি বিপজ্জনক লক্ষণ।
শিশুদের ক্ষেত্রে এই রোগ শনাক্ত করা আরও কঠিন হতে পারে। কোনো শিশু যদি হঠাৎ খেলাধুলায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলে বা দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তবে তা 'লুকানো অ্যাজমা' হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া 'কাফ ভ্যারিয়েন্ট অ্যাজমা' নামক এক ধরনের হাঁপানিতে শ্বাসকষ্টের কোনো উপস্থিতি ছাড়াই কেবল কাশি একমাত্র লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয়, যেখানে সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিক কোনো কাজ করে না।
ধুলোবালি, কড়া সুগন্ধি বা আবহাওয়ার পরিবর্তনে বারবার কাশি হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, একটি সাধারণ 'স্পাইরোমেট্রি' পরীক্ষার মাধ্যমেই এই রোগ নির্ণয় করা সম্ভব। সঠিক সময়ে রোগ শনাক্ত করে চিকিৎসা শুরু করলে হাঁপানি নিয়েও একজন মানুষ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন