তীব্র গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে এবং পানিশূন্যতা রোধে তরমুজ অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ফল। এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ এবং পটাশিয়াম থাকায় এটি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হলেও ভুল সময়ে ও ভুল নিয়মে খেলে হজমের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, তরমুজে থাকা ফ্রুক্টোজ অনেকের শরীরে সহজে হজম হয় না, যা কোলনে গিয়ে গ্যাস তৈরি করে পেট ফাঁপা বা ব্যথার উদ্রেক করতে পারে।
বিশেষ করে যাদের ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (আইবিএস) আছে, তাদের জন্য ভারী খাবারের পরপরই তরমুজ খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তরমুজ খুব দ্রুত হজম হয়, কিন্তু ভাত বা অন্যান্য ভারী খাবার হজম হতে সময় বেশি লাগে। ফলে এই দুই ধরনের খাবার একসঙ্গে পেটে গেলে পরিপাক প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, কখনোই ভরা পেটে তরমুজ খাওয়া ঠিক নয়।
তরমুজ খাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো সকালে নাস্তার সময় অথবা নাস্তা ও দুপুরের খাবারের মাঝামাঝি কোনো সময়ে। যদি কেউ দুপুরে এটি খেতে চান, তবে ভারী খাবার খাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা পর খাওয়া উচিত। এছাড়া তরমুজের সঙ্গে দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা ভালো, কারণ এতে পেটের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।
পুষ্টিবিদরা মনে করেন, যেকোনো উপকারী ফলই অতিরিক্ত খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই গরমে সুস্থ থাকতে তরমুজ পরিমিত পরিমাণে এবং অন্য খাবারের সঙ্গে না মিশিয়ে আলাদাভাবে খাওয়ার অভ্যাস করা জরুরি। সঠিক সময়ে ও নিয়ম মেনে ফল খেলে তা শরীরের জন্য প্রকৃত অর্থে সুফল বয়ে আনে।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
তীব্র গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে এবং পানিশূন্যতা রোধে তরমুজ অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ফল। এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ এবং পটাশিয়াম থাকায় এটি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হলেও ভুল সময়ে ও ভুল নিয়মে খেলে হজমের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, তরমুজে থাকা ফ্রুক্টোজ অনেকের শরীরে সহজে হজম হয় না, যা কোলনে গিয়ে গ্যাস তৈরি করে পেট ফাঁপা বা ব্যথার উদ্রেক করতে পারে।
বিশেষ করে যাদের ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (আইবিএস) আছে, তাদের জন্য ভারী খাবারের পরপরই তরমুজ খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তরমুজ খুব দ্রুত হজম হয়, কিন্তু ভাত বা অন্যান্য ভারী খাবার হজম হতে সময় বেশি লাগে। ফলে এই দুই ধরনের খাবার একসঙ্গে পেটে গেলে পরিপাক প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, কখনোই ভরা পেটে তরমুজ খাওয়া ঠিক নয়।
তরমুজ খাওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো সকালে নাস্তার সময় অথবা নাস্তা ও দুপুরের খাবারের মাঝামাঝি কোনো সময়ে। যদি কেউ দুপুরে এটি খেতে চান, তবে ভারী খাবার খাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা পর খাওয়া উচিত। এছাড়া তরমুজের সঙ্গে দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা ভালো, কারণ এতে পেটের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।
পুষ্টিবিদরা মনে করেন, যেকোনো উপকারী ফলই অতিরিক্ত খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই গরমে সুস্থ থাকতে তরমুজ পরিমিত পরিমাণে এবং অন্য খাবারের সঙ্গে না মিশিয়ে আলাদাভাবে খাওয়ার অভ্যাস করা জরুরি। সঠিক সময়ে ও নিয়ম মেনে ফল খেলে তা শরীরের জন্য প্রকৃত অর্থে সুফল বয়ে আনে।

আপনার মতামত লিখুন