বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে প্রশাসনিক কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষক ও কর্মচারীরা। সোমবার (১১ মে) বেলা ১১টার দিকে শিক্ষকদের নির্দেশনায় কর্মচারীরা প্রশাসনিক দপ্তরের তালাবদ্ধ করে দিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়ে।
ঘটনার শুরু হয় সকাল ৯টার দিকে, যখন শিক্ষকরা উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় অবস্থান নেন। পরে তারা রেজিস্ট্রারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের নির্দেশনায় দপ্তরগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কাইউম নিশ্চিত করেছেন যে, শিক্ষকদের নির্দেশেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আন্দোলনরত শিক্ষকদের দাবি, দীর্ঘদিনের শিক্ষক সংকট ও প্রশাসনিক বিভিন্ন জটিলতার কোনো সমাধান না হওয়ায় তারা এই কঠোর কর্মসূচি পালনে বাধ্য হয়েছেন। সহযোগী অধ্যাপক ধীমান কুমার রায় জানিয়েছেন, শিক্ষকরা উপাচার্যকে আর কোনো প্রশাসনিক সহযোগিতা করবেন না এবং ইতোমধ্যে অনেকেই প্রশাসনিক পদ থেকে পদত্যাগ করছেন। সেশনজটের আশঙ্কা থাকলেও তারা অতিরিক্ত ক্লাস ও পরীক্ষার মাধ্যমে তা পুষিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
অন্যদিকে, শিক্ষকদের এই কর্মসূচিকে ‘আইনবিরোধী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক তৌফিক আলম। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শিক্ষকরা নিজেরা কর্মবিরতি করতে পারলেও অন্যের কাজে বাধা দিতে পারেন না। এই অবস্থান থেকে সরে না দাঁড়ালে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে প্রশাসনিক কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষক ও কর্মচারীরা। সোমবার (১১ মে) বেলা ১১টার দিকে শিক্ষকদের নির্দেশনায় কর্মচারীরা প্রশাসনিক দপ্তরের তালাবদ্ধ করে দিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়ে।
ঘটনার শুরু হয় সকাল ৯টার দিকে, যখন শিক্ষকরা উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় অবস্থান নেন। পরে তারা রেজিস্ট্রারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের নির্দেশনায় দপ্তরগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কাইউম নিশ্চিত করেছেন যে, শিক্ষকদের নির্দেশেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আন্দোলনরত শিক্ষকদের দাবি, দীর্ঘদিনের শিক্ষক সংকট ও প্রশাসনিক বিভিন্ন জটিলতার কোনো সমাধান না হওয়ায় তারা এই কঠোর কর্মসূচি পালনে বাধ্য হয়েছেন। সহযোগী অধ্যাপক ধীমান কুমার রায় জানিয়েছেন, শিক্ষকরা উপাচার্যকে আর কোনো প্রশাসনিক সহযোগিতা করবেন না এবং ইতোমধ্যে অনেকেই প্রশাসনিক পদ থেকে পদত্যাগ করছেন। সেশনজটের আশঙ্কা থাকলেও তারা অতিরিক্ত ক্লাস ও পরীক্ষার মাধ্যমে তা পুষিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
অন্যদিকে, শিক্ষকদের এই কর্মসূচিকে ‘আইনবিরোধী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক তৌফিক আলম। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শিক্ষকরা নিজেরা কর্মবিরতি করতে পারলেও অন্যের কাজে বাধা দিতে পারেন না। এই অবস্থান থেকে সরে না দাঁড়ালে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন