ঢাকা নিউজ

টিকটক মডেল বানানোর প্রলোভনে কিশোরীকে বিক্রি, ব্যক্তির ৭ বছরের কারাদণ্ড



টিকটক মডেল বানানোর প্রলোভনে কিশোরীকে বিক্রি, ব্যক্তির ৭ বছরের কারাদণ্ড
ছবি : সংগৃহীত

ফরিদপুরে এক কিশোরীকে টিকটক তারকা ও মডেল বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে পতিতালয়ে বিক্রি এবং জোরপূর্বক দেহব্যবসায় বাধ্য করার দায়ে আদল কাজী (৫৪) নামের এক ব্যক্তিকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১১ মে) দুপুরে ফরিদপুরের মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আদল কাজী ফরিদপুর সদরের পূর্ব গঙ্গাবর্দী এলাকার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক ছিলেন। আদালত তাকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি দুটি ধারায় মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন, যা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২১ সালের জুলাই মাসে ১৬ বছরের ওই কিশোরীকে উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে অপহরণ করা হয় এবং ফরিদপুর শহরের রথখোলা এলাকার একটি পতিতালয়ে বিক্রি করে দেওয়া হয়। সেখানে তাকে আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতনে বাধ্য করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০২১ সালের ২৭ জুলাই র‍্যাব-৮ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে এবং আদল কাজীকে গ্রেপ্তার করে।

পরবর্তীতে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ ওই বছরের সেপ্টেম্বরে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে যে, আদল কাজী একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) গোলাম রব্বানী এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, অপরাধীর অনুপস্থিতিতেই এই রায় ঘোষণা করা হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এই রায় সমাজে অপরাধীদের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

সোমবার, ১১ মে ২০২৬


টিকটক মডেল বানানোর প্রলোভনে কিশোরীকে বিক্রি, ব্যক্তির ৭ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image

ফরিদপুরে এক কিশোরীকে টিকটক তারকা ও মডেল বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে পতিতালয়ে বিক্রি এবং জোরপূর্বক দেহব্যবসায় বাধ্য করার দায়ে আদল কাজী (৫৪) নামের এক ব্যক্তিকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১১ মে) দুপুরে ফরিদপুরের মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আদল কাজী ফরিদপুর সদরের পূর্ব গঙ্গাবর্দী এলাকার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক ছিলেন। আদালত তাকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি দুটি ধারায় মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন, যা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২১ সালের জুলাই মাসে ১৬ বছরের ওই কিশোরীকে উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে অপহরণ করা হয় এবং ফরিদপুর শহরের রথখোলা এলাকার একটি পতিতালয়ে বিক্রি করে দেওয়া হয়। সেখানে তাকে আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতনে বাধ্য করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০২১ সালের ২৭ জুলাই র‍্যাব-৮ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে এবং আদল কাজীকে গ্রেপ্তার করে।

পরবর্তীতে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ ওই বছরের সেপ্টেম্বরে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে যে, আদল কাজী একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) গোলাম রব্বানী এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, অপরাধীর অনুপস্থিতিতেই এই রায় ঘোষণা করা হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এই রায় সমাজে অপরাধীদের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ