রাজশাহীতে চুরির অপবাদ দিয়ে মো. তুষার (১৮) নামের এক যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্মমভাবে পেটানোর ঘটনা ঘটেছে। নির্যাতনের সেই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। রোববার (১১ মে) মহানগরীর মতিহার থানা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নির্যাতনের শিকার তুষার মহানগরীর কাজলা বিলপাড়া মহল্লার বাসিন্দা। ভাইরাল হওয়া ৪৫ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, তুষারকে গাছের সঙ্গে বেঁধে দুই যুবক লাঠি দিয়ে অন্তত ১৪ বার এলোপাতাড়ি আঘাত করছেন। ভিডিওর শুরুতেই একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘চালু করে দিয়েছি’, অর্থাৎ ভিডিও ক্যামেরা চালু করেই এই বর্বরোচিত হামলা শুরু হয়। মারধরের সময় তুষার ব্যথায় চিৎকার করে বাঁচার আকুতি জানালেও নির্যাতনকারীদের মন গলেনি।
বর্তমানে আহত তুষার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম কবির জানিয়েছেন, চুরির অভিযোগে তাকে মারধর করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলেও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। একজনকে বেঁধে নির্যাতন করা এবং সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া গুরুতর অপরাধ। পুলিশ অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে কাজ শুরু করেছে এবং ভুক্তভোগী সুস্থ হয়ে অভিযোগ দিলেই কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
রাজশাহীতে চুরির অপবাদ দিয়ে মো. তুষার (১৮) নামের এক যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্মমভাবে পেটানোর ঘটনা ঘটেছে। নির্যাতনের সেই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। রোববার (১১ মে) মহানগরীর মতিহার থানা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নির্যাতনের শিকার তুষার মহানগরীর কাজলা বিলপাড়া মহল্লার বাসিন্দা। ভাইরাল হওয়া ৪৫ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, তুষারকে গাছের সঙ্গে বেঁধে দুই যুবক লাঠি দিয়ে অন্তত ১৪ বার এলোপাতাড়ি আঘাত করছেন। ভিডিওর শুরুতেই একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘চালু করে দিয়েছি’, অর্থাৎ ভিডিও ক্যামেরা চালু করেই এই বর্বরোচিত হামলা শুরু হয়। মারধরের সময় তুষার ব্যথায় চিৎকার করে বাঁচার আকুতি জানালেও নির্যাতনকারীদের মন গলেনি।
বর্তমানে আহত তুষার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম কবির জানিয়েছেন, চুরির অভিযোগে তাকে মারধর করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলেও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। একজনকে বেঁধে নির্যাতন করা এবং সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া গুরুতর অপরাধ। পুলিশ অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে কাজ শুরু করেছে এবং ভুক্তভোগী সুস্থ হয়ে অভিযোগ দিলেই কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন