মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান এক চরম হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছে। দেশটির সংসদীয় মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি জানিয়েছেন, ইরান যদি পুনরায় কোনো হামলার শিকার হয়, তবে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে তারা ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারে। উল্লেখ্য, এই ৯০ শতাংশ বিশুদ্ধতার ইউরেনিয়াম সরাসরি পারমাণবিক অস্ত্র বা বোমা তৈরির উপযোগী বলে গণ্য করা হয়।
ইরানের সংসদীয় জাতীয় নিরাপত্তা ও বৈদেশিক নীতি কমিশনের মুখপাত্র রেজায়ি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে জানান, পুনরায় আক্রান্ত হলে ৯০ শতাংশ সমৃদ্ধকরণ ইরানের অন্যতম বিকল্প হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে দেশটির পার্লামেন্টেও আলোচনা করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ইরানের এই প্রচ্ছন্ন হুমকি এমন এক সময়ে এল যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি অত্যন্ত নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বর্তমান যুদ্ধবিরতি এখন ‘লাইফ সাপোর্ট’-এ রয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি প্রস্তাব ট্রাম্প খারিজ করে দেওয়ার পর এই কূটনৈতিক সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।
গত বছরের জুনে ১২ দিনের এক যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো বিপর্যস্ত হয়েছে বলে ট্রাম্প দাবি করলেও, ইরানের কাছে থাকা ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ নিয়ে এখনও উদ্বেগ কাটেনি। বর্তমানে ইরানের কাছে প্রায় ৪০০ কেজি ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে বলে ধারণা করা হয়, যা কারিগরিভাবে সামান্য প্রচেষ্টায় অস্ত্র তৈরির উপযোগী মাত্রায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মতে, এই উচ্চ মাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে না পাঠানো বা ধ্বংস না করা পর্যন্ত ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতাকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। গত ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে শুরু হওয়া সংঘাত নিরসনে আলোচনা চললেও পারমাণবিক ইস্যুটি এখনও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তেহরান এই বিষয়টি নিয়ে পরে আলোচনা করতে চাইলেও ওয়াশিংটন সাফ জানিয়েছে যে, ইরানকে অবশ্যই তাদের উচ্চ মাত্রার ইউরেনিয়ামের মজুদ দেশের বাইরে পাঠাতে হবে এবং সমৃদ্ধকরণ ত্যাগ করতে হবে।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান এক চরম হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছে। দেশটির সংসদীয় মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি জানিয়েছেন, ইরান যদি পুনরায় কোনো হামলার শিকার হয়, তবে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে তারা ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে পারে। উল্লেখ্য, এই ৯০ শতাংশ বিশুদ্ধতার ইউরেনিয়াম সরাসরি পারমাণবিক অস্ত্র বা বোমা তৈরির উপযোগী বলে গণ্য করা হয়।
ইরানের সংসদীয় জাতীয় নিরাপত্তা ও বৈদেশিক নীতি কমিশনের মুখপাত্র রেজায়ি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে জানান, পুনরায় আক্রান্ত হলে ৯০ শতাংশ সমৃদ্ধকরণ ইরানের অন্যতম বিকল্প হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে দেশটির পার্লামেন্টেও আলোচনা করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ইরানের এই প্রচ্ছন্ন হুমকি এমন এক সময়ে এল যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি অত্যন্ত নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বর্তমান যুদ্ধবিরতি এখন ‘লাইফ সাপোর্ট’-এ রয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি প্রস্তাব ট্রাম্প খারিজ করে দেওয়ার পর এই কূটনৈতিক সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।
গত বছরের জুনে ১২ দিনের এক যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো বিপর্যস্ত হয়েছে বলে ট্রাম্প দাবি করলেও, ইরানের কাছে থাকা ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ নিয়ে এখনও উদ্বেগ কাটেনি। বর্তমানে ইরানের কাছে প্রায় ৪০০ কেজি ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে বলে ধারণা করা হয়, যা কারিগরিভাবে সামান্য প্রচেষ্টায় অস্ত্র তৈরির উপযোগী মাত্রায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মতে, এই উচ্চ মাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে না পাঠানো বা ধ্বংস না করা পর্যন্ত ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতাকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। গত ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে শুরু হওয়া সংঘাত নিরসনে আলোচনা চললেও পারমাণবিক ইস্যুটি এখনও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তেহরান এই বিষয়টি নিয়ে পরে আলোচনা করতে চাইলেও ওয়াশিংটন সাফ জানিয়েছে যে, ইরানকে অবশ্যই তাদের উচ্চ মাত্রার ইউরেনিয়ামের মজুদ দেশের বাইরে পাঠাতে হবে এবং সমৃদ্ধকরণ ত্যাগ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন