সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে ‘এমটি ফসিল’ নামের একটি জাহাজ। সোমবার সন্ধ্যায় রওনা হওয়া এই জাহাজটি আগামী ২৩ মে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে ক্রুড আসা শুরু হওয়ার পর দেশের একমাত্র সরকারি শোধনাগার প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পুনরায় পুরোদমে উৎপাদন শুরু করেছে। বর্তমানে এই কারখানায় প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার হাজার টন তেল পরিশোধন করা হচ্ছে।
এর আগে গত ৬ মে সৌদি আরব থেকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামে আরেকটি অয়েল ট্যাংকার কুতুবদিয়া চ্যানেলে পৌঁছেছিল। ওই জাহাজ থেকে তেল খালাস হওয়ার পরই মূলত ইআরএল পুনরায় সচল হয়। এর আগে ক্রুড সংকটের কারণে গত ১৪ এপ্রিল দেশের একমাত্র সরকারি এই তেল শোধনাগারটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্রুড আমদানি মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। এর প্রভাবে দেশে অকটেন, পেট্রল ও ডিজেলসহ জ্বালানি তেলের ভয়াবহ সংকট দেখা দিয়েছিল। বর্তমানে ইআরএলে নিয়মিত তেল পরিশোধনের মাধ্যমে সেই পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে ‘এমটি ফসিল’ নামের একটি জাহাজ। সোমবার সন্ধ্যায় রওনা হওয়া এই জাহাজটি আগামী ২৩ মে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে ক্রুড আসা শুরু হওয়ার পর দেশের একমাত্র সরকারি শোধনাগার প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পুনরায় পুরোদমে উৎপাদন শুরু করেছে। বর্তমানে এই কারখানায় প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার হাজার টন তেল পরিশোধন করা হচ্ছে।
এর আগে গত ৬ মে সৌদি আরব থেকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামে আরেকটি অয়েল ট্যাংকার কুতুবদিয়া চ্যানেলে পৌঁছেছিল। ওই জাহাজ থেকে তেল খালাস হওয়ার পরই মূলত ইআরএল পুনরায় সচল হয়। এর আগে ক্রুড সংকটের কারণে গত ১৪ এপ্রিল দেশের একমাত্র সরকারি এই তেল শোধনাগারটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্রুড আমদানি মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। এর প্রভাবে দেশে অকটেন, পেট্রল ও ডিজেলসহ জ্বালানি তেলের ভয়াবহ সংকট দেখা দিয়েছিল। বর্তমানে ইআরএলে নিয়মিত তেল পরিশোধনের মাধ্যমে সেই পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন