২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট যাত্রা শুরু করা সর্বজনীন পেনশন স্কিমে গত ৩২ মাসে ৩ লাখ ৭৭ হাজার গ্রাহক যুক্ত হয়েছেন এবং তহবিলে জমা পড়েছে প্রায় ২৫৫ কোটি টাকা। মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় জানানো হয়, প্রথম এক বছরে গ্রাহক সংখ্যা পৌনে চার লাখ হলেও গত ২০ মাসে নতুন যুক্ত হয়েছেন মাত্র পাঁচ হাজার মানুষ। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই স্কিম নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা কাটাতে এবং অংশগ্রহণ বাড়াতে সভা থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা—এই চারটি স্কিমে মোট ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৫ জন নিবন্ধিত হয়েছেন। বর্তমান বিনিয়োগের পরিমাণ মুনাফাসহ প্রায় ২৭৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। ২০২৪ সালের আগস্টের পর গ্রাহক সংখ্যায় বড় ধরনের ভাটা পড়লেও অন্তর্বর্তী সরকারের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর পুনরায় কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের ৪ কোটি পরিবারের প্রতিটিতে অন্তত একজনকে এই স্কিমের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন।
পেনশন স্কিমকে আরও জনপ্রিয় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে সভায় ‘শরিয়াহভিত্তিক পেনশন স্কিম’ চালু এবং নমিনিদের জন্য আজীবন পেনশন সুবিধার বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আউটসোর্সিং কর্মীদের ‘প্রগতি’ স্কিমের আওতায় আনার বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়। দেশের ক্রমবর্ধমান বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়, যেখানে ২০৭৫ সাল নাগাদ নির্ভরশীলতার অনুপাত ৪৮ শতাংশে পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে।
বর্তমানে ৪৫টি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বিকাশ, নগদ ও টেলিটকের মাধ্যমে চাঁদা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এই ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ১০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অর্থমন্ত্রী জনগণের আস্থা বৃদ্ধি, ব্যাপক প্রচারণা এবং সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দক্ষ জনবল নিয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তবে অংশীজনদের বিরোধিতার কারণে স্থগিত হওয়া ‘প্রত্যয়’ স্কিম নিয়ে সভায় নতুন কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট যাত্রা শুরু করা সর্বজনীন পেনশন স্কিমে গত ৩২ মাসে ৩ লাখ ৭৭ হাজার গ্রাহক যুক্ত হয়েছেন এবং তহবিলে জমা পড়েছে প্রায় ২৫৫ কোটি টাকা। মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় জানানো হয়, প্রথম এক বছরে গ্রাহক সংখ্যা পৌনে চার লাখ হলেও গত ২০ মাসে নতুন যুক্ত হয়েছেন মাত্র পাঁচ হাজার মানুষ। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই স্কিম নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা কাটাতে এবং অংশগ্রহণ বাড়াতে সভা থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা—এই চারটি স্কিমে মোট ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৫ জন নিবন্ধিত হয়েছেন। বর্তমান বিনিয়োগের পরিমাণ মুনাফাসহ প্রায় ২৭৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। ২০২৪ সালের আগস্টের পর গ্রাহক সংখ্যায় বড় ধরনের ভাটা পড়লেও অন্তর্বর্তী সরকারের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর পুনরায় কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের ৪ কোটি পরিবারের প্রতিটিতে অন্তত একজনকে এই স্কিমের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন।
পেনশন স্কিমকে আরও জনপ্রিয় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে সভায় ‘শরিয়াহভিত্তিক পেনশন স্কিম’ চালু এবং নমিনিদের জন্য আজীবন পেনশন সুবিধার বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আউটসোর্সিং কর্মীদের ‘প্রগতি’ স্কিমের আওতায় আনার বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়। দেশের ক্রমবর্ধমান বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়, যেখানে ২০৭৫ সাল নাগাদ নির্ভরশীলতার অনুপাত ৪৮ শতাংশে পৌঁছানোর পূর্বাভাস রয়েছে।
বর্তমানে ৪৫টি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বিকাশ, নগদ ও টেলিটকের মাধ্যমে চাঁদা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এই ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ১০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অর্থমন্ত্রী জনগণের আস্থা বৃদ্ধি, ব্যাপক প্রচারণা এবং সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দক্ষ জনবল নিয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তবে অংশীজনদের বিরোধিতার কারণে স্থগিত হওয়া ‘প্রত্যয়’ স্কিম নিয়ে সভায় নতুন কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন