ঢাকা নিউজ

হরমুজ প্রণালিতে ৩০টি মিসাইল সাইট পুনরুদ্ধার ইরানের



হরমুজ প্রণালিতে ৩০টি মিসাইল সাইট পুনরুদ্ধার ইরানের
ছবি : সংগৃহীত

ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির পাশে অবস্থিত তাদের ৩৩টি মিসাইল সাইটের মধ্যে ৩০টি পুনরায় কার্যকর করেছে। বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর গোয়েন্দা তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। পুনরুদ্ধার করা এই সাইটগুলোর কারণে ওই পথ দিয়ে চলাচলকারী আন্তর্জাতিক জাহাজগুলো এখন সরাসরি ইরানি মিসাইলের ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই সাইটগুলোতে মোবাইল লঞ্চার ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে, যার ফলে ইরানি বাহিনী যেকোনো স্থানে দ্রুত মিসাইল সরিয়ে নিতে সক্ষম। এছাড়া কিছু নির্দিষ্ট সাইটে স্থায়ী লঞ্চ প্যাডও রাখা হয়েছে যেখান থেকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পূর্ববর্তী হামলায় ৩৩টি সাইটের মধ্যে মাত্র তিনটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে বলে মার্কিন গোয়েন্দারা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সৌদি আরব গত মার্চ মাসে ইরানি ভূখণ্ডে একাধিক গোপন হামলা চালিয়েছে বলে খবর প্রকাশ করেছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। পশ্চিমা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পক্ষ থেকে হামলার শিকার হওয়ার জবাবে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে সৌদি আরব প্রথমবারের মতো সরাসরি ইরানি মাটিতে এই আক্রমণ পরিচালনা করে।

সৌদি আরবের পক্ষ থেকে ইরানের কোন কোন স্থাপনায় লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে তা এখনো স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। তবে এই গোপন হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। দুই প্রভাবশালী মুসলিম দেশের এমন সরাসরি সংঘাত এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে চরম সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


হরমুজ প্রণালিতে ৩০টি মিসাইল সাইট পুনরুদ্ধার ইরানের

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image

ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির পাশে অবস্থিত তাদের ৩৩টি মিসাইল সাইটের মধ্যে ৩০টি পুনরায় কার্যকর করেছে। বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর গোয়েন্দা তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। পুনরুদ্ধার করা এই সাইটগুলোর কারণে ওই পথ দিয়ে চলাচলকারী আন্তর্জাতিক জাহাজগুলো এখন সরাসরি ইরানি মিসাইলের ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই সাইটগুলোতে মোবাইল লঞ্চার ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে, যার ফলে ইরানি বাহিনী যেকোনো স্থানে দ্রুত মিসাইল সরিয়ে নিতে সক্ষম। এছাড়া কিছু নির্দিষ্ট সাইটে স্থায়ী লঞ্চ প্যাডও রাখা হয়েছে যেখান থেকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পূর্ববর্তী হামলায় ৩৩টি সাইটের মধ্যে মাত্র তিনটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে বলে মার্কিন গোয়েন্দারা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সৌদি আরব গত মার্চ মাসে ইরানি ভূখণ্ডে একাধিক গোপন হামলা চালিয়েছে বলে খবর প্রকাশ করেছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। পশ্চিমা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পক্ষ থেকে হামলার শিকার হওয়ার জবাবে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে সৌদি আরব প্রথমবারের মতো সরাসরি ইরানি মাটিতে এই আক্রমণ পরিচালনা করে।

সৌদি আরবের পক্ষ থেকে ইরানের কোন কোন স্থাপনায় লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে তা এখনো স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। তবে এই গোপন হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। দুই প্রভাবশালী মুসলিম দেশের এমন সরাসরি সংঘাত এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে চরম সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ