কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গঠিত বহুজাতিক মিশনে ড্রোন, অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। মঙ্গলবার ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এই সামরিক বহরে ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান, এইচএমএস ড্রাগন যুদ্ধজাহাজ এবং স্বয়ংক্রিয় মাইন শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়করণ ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ওই অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি ৪০টির বেশি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, মাইন শনাক্তকারী ড্রোন ও ড্রোন প্রতিরোধী ব্যবস্থার আধুনিকায়নের জন্য অতিরিক্ত ১১ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড বা প্রায় ১৫ কোটি ৬০ লাখ ডলারের নতুন তহবিল বরাদ্দ দেওয়া হবে। পরিস্থিতি অনুকূল থাকা সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই মিশন কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে ব্রিটিশ সরকারের।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান প্রতিরক্ষামূলক অভিযানের অংশ হিসেবে এক হাজারের বেশি ব্রিটিশ সেনাসদস্য ওই অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যের এই নতুন সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় মুক্ত চলাচল নিশ্চিত করতে ব্রিটেন তার মিত্রদের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গঠিত বহুজাতিক মিশনে ড্রোন, অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। মঙ্গলবার ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এই সামরিক বহরে ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান, এইচএমএস ড্রাগন যুদ্ধজাহাজ এবং স্বয়ংক্রিয় মাইন শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়করণ ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ওই অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি ৪০টির বেশি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, মাইন শনাক্তকারী ড্রোন ও ড্রোন প্রতিরোধী ব্যবস্থার আধুনিকায়নের জন্য অতিরিক্ত ১১ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড বা প্রায় ১৫ কোটি ৬০ লাখ ডলারের নতুন তহবিল বরাদ্দ দেওয়া হবে। পরিস্থিতি অনুকূল থাকা সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই মিশন কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে ব্রিটিশ সরকারের।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান প্রতিরক্ষামূলক অভিযানের অংশ হিসেবে এক হাজারের বেশি ব্রিটিশ সেনাসদস্য ওই অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যের এই নতুন সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় মুক্ত চলাচল নিশ্চিত করতে ব্রিটেন তার মিত্রদের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

আপনার মতামত লিখুন