বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি করেছে। এর ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। গত ৭ মে নির্ধারিত এই নতুন মূল্য আজ বুধবার (১৩ মে) পর্যন্ত অপরিবর্তিত রয়েছে এবং সারা দেশে এই দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।
বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত মোট ৬৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস, যার মধ্যে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ২৮ বার কমানো হয়েছে। এর আগে গত ৬ মে স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের অস্থিরতার কারণে স্বর্ণের দামে এই ধারাবাহিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আর্থিক খাতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ না করার বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা বাজারের এই ঊর্ধ্বগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, রেমিট্যান্সের উচ্চ প্রবাহ এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে স্বর্ণের বাজারের ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি নির্ধারিত হবে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি করেছে। এর ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। গত ৭ মে নির্ধারিত এই নতুন মূল্য আজ বুধবার (১৩ মে) পর্যন্ত অপরিবর্তিত রয়েছে এবং সারা দেশে এই দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।
বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত মোট ৬৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস, যার মধ্যে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ২৮ বার কমানো হয়েছে। এর আগে গত ৬ মে স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের অস্থিরতার কারণে স্বর্ণের দামে এই ধারাবাহিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আর্থিক খাতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ না করার বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা বাজারের এই ঊর্ধ্বগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, রেমিট্যান্সের উচ্চ প্রবাহ এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে স্বর্ণের বাজারের ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি নির্ধারিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন