ইসলামের অন্যতম নিদর্শন ঈদুল আজহায় সামর্থ্যবান মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কুরবানির মাধ্যমে ত্যাগের নজরানা পেশ করেন। পবিত্র কুরআনে সালাতের পাশাপাশি বিশেষভাবে কুরবানির নির্দেশ দিয়ে একে মহান রবের ইবাদত হিসেবে সাব্যস্ত করা হয়েছে। এই ইবাদতের মূল লক্ষ্য হতে হবে লৌকিকতা ও যশ-খ্যাতির মোহ ত্যাগ করে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর নিকট সঁপে দেওয়া।
কুরবানির পশুর গোশত বা রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না, বরং তাঁর কাছে পৌঁছায় বান্দার তাকওয়া বা খোদাভীতি। তাকওয়ার সম্পর্ক মূলত মানুষের অন্তরের সাথে, যা বাইরের কেউ উপলব্ধি করতে পারে না। লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে কোনো আমল করা হলে তা শিরকের অন্তর্ভুক্ত হয়, যা আমলকে গুরুত্বহীন করে দেয়।
হাদিস অনুযায়ী, কুরবানির পশুর রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই তা আল্লাহর কাছে বিশেষ মর্যাদায় পৌঁছে যায় এবং কিয়ামতের দিন এই পশু তার শিং ও পশমসহ হাজির হবে। পার্থিব কোনো উদ্দেশ্যে কুরবানি করলে দুনিয়ায় খ্যাতি মিললেও আখিরাতে কোনো প্রতিদান থাকবে না। কারণ প্রতিটি আমলই নিয়তের ওপর নির্ভরশীল এবং বান্দা তার নিয়ত অনুযায়ীই ফল লাভ করে।
কুরবানির পশুর প্রতিটি পশমের বিনিময়ে নেকি লাভের বিধান রয়েছে, তবে এই ফজিলত অর্জনের প্রধান শর্ত হলো পরিপূর্ণ ইখলাস বা একাগ্রতা। লোক দেখানো মানসিকতা নিয়ে দামি পশু কুরবানি করার চেয়ে খাঁটি ঈমান নিয়ে সামান্য কুরবানিও নাজাতের উসিলা হতে পারে। আল্লাহ মানুষের সম্পদ বা চেহারার পরিবর্তে কেবল তাঁর অন্তর ও আমলের দিকেই দৃষ্টিপাত করেন।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
ইসলামের অন্যতম নিদর্শন ঈদুল আজহায় সামর্থ্যবান মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কুরবানির মাধ্যমে ত্যাগের নজরানা পেশ করেন। পবিত্র কুরআনে সালাতের পাশাপাশি বিশেষভাবে কুরবানির নির্দেশ দিয়ে একে মহান রবের ইবাদত হিসেবে সাব্যস্ত করা হয়েছে। এই ইবাদতের মূল লক্ষ্য হতে হবে লৌকিকতা ও যশ-খ্যাতির মোহ ত্যাগ করে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর নিকট সঁপে দেওয়া।
কুরবানির পশুর গোশত বা রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না, বরং তাঁর কাছে পৌঁছায় বান্দার তাকওয়া বা খোদাভীতি। তাকওয়ার সম্পর্ক মূলত মানুষের অন্তরের সাথে, যা বাইরের কেউ উপলব্ধি করতে পারে না। লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে কোনো আমল করা হলে তা শিরকের অন্তর্ভুক্ত হয়, যা আমলকে গুরুত্বহীন করে দেয়।
হাদিস অনুযায়ী, কুরবানির পশুর রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই তা আল্লাহর কাছে বিশেষ মর্যাদায় পৌঁছে যায় এবং কিয়ামতের দিন এই পশু তার শিং ও পশমসহ হাজির হবে। পার্থিব কোনো উদ্দেশ্যে কুরবানি করলে দুনিয়ায় খ্যাতি মিললেও আখিরাতে কোনো প্রতিদান থাকবে না। কারণ প্রতিটি আমলই নিয়তের ওপর নির্ভরশীল এবং বান্দা তার নিয়ত অনুযায়ীই ফল লাভ করে।
কুরবানির পশুর প্রতিটি পশমের বিনিময়ে নেকি লাভের বিধান রয়েছে, তবে এই ফজিলত অর্জনের প্রধান শর্ত হলো পরিপূর্ণ ইখলাস বা একাগ্রতা। লোক দেখানো মানসিকতা নিয়ে দামি পশু কুরবানি করার চেয়ে খাঁটি ঈমান নিয়ে সামান্য কুরবানিও নাজাতের উসিলা হতে পারে। আল্লাহ মানুষের সম্পদ বা চেহারার পরিবর্তে কেবল তাঁর অন্তর ও আমলের দিকেই দৃষ্টিপাত করেন।

আপনার মতামত লিখুন