ঢাকা নিউজ

জিয়াউর রহমানের আমলেই ওষুধনীতির ভিত্তি রচিত হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী



জিয়াউর রহমানের আমলেই ওষুধনীতির ভিত্তি রচিত হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রথম ওষুধনীতি প্রণয়ন করে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানির পথ উন্মোচন করে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার বিকালে গাজীপুরের টঙ্গীতে নেভিয়ান লাইফসায়েন্স পিএলসি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বের কারণেই আজ বাংলাদেশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যাপকভাবে ওষুধ রপ্তানির সুযোগ পাচ্ছে।

কানাডায় ওষুধ রপ্তানিতে নেভিয়ানের সাফল্যের প্রশংসা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রপ্তানি-বৈচিত্র্য বৃদ্ধিতে ওষুধ শিল্প বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত। সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক স্যান্ডোজের সঙ্গে অংশীদারিত্বে নেভিয়ানের এই উদ্যোগটি বিশ্ববাজারে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং রপ্তানি ঝুড়ি সম্প্রসারণে একটি রোল মডেল হিসেবে কাজ করবে। এটি বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের ক্রমবর্ধমান শক্তির বহিঃপ্রকাশ বলে তিনি অভিমত দেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদি বলেন, ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়েই ঐতিহাসিক ‘ফার্মাসি অর্ডন্যান্স’ প্রণয়নের মাধ্যমে দেশীয় ওষুধ শিল্পের ভিত্তি রচিত হয়েছিল, যার ফলে বাংলাদেশ আজ ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণ। তিনি আরও যোগ করেন, ১৯৯৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এই শিল্পের উন্নয়নে যে নীতিমালা প্রণয়ন করেছিলেন, বর্তমান সরকার তা আধুনিকায়নের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও শিল্পের অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে।

নেভিয়ান লাইফসায়েন্স পিএলসি (সাবেক নোভার্টিস বাংলাদেশ লিমিটেড) জানায়, কোনো শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক কোম্পানির মাধ্যমে কানাডার মতো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত বাজারে বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি এটাই প্রথম। স্যান্ডোজ কানাডার ক্রয়াদেশে নেভিয়ানের টঙ্গী প্ল্যান্টে উৎপাদিত ওষুধ রপ্তানির মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। ভবিষ্যতে এই চুক্তির আওতায় ইউরোপসহ উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দেশেও বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


জিয়াউর রহমানের আমলেই ওষুধনীতির ভিত্তি রচিত হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রথম ওষুধনীতি প্রণয়ন করে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানির পথ উন্মোচন করে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার বিকালে গাজীপুরের টঙ্গীতে নেভিয়ান লাইফসায়েন্স পিএলসি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বের কারণেই আজ বাংলাদেশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যাপকভাবে ওষুধ রপ্তানির সুযোগ পাচ্ছে।

কানাডায় ওষুধ রপ্তানিতে নেভিয়ানের সাফল্যের প্রশংসা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রপ্তানি-বৈচিত্র্য বৃদ্ধিতে ওষুধ শিল্প বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত। সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক স্যান্ডোজের সঙ্গে অংশীদারিত্বে নেভিয়ানের এই উদ্যোগটি বিশ্ববাজারে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং রপ্তানি ঝুড়ি সম্প্রসারণে একটি রোল মডেল হিসেবে কাজ করবে। এটি বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের ক্রমবর্ধমান শক্তির বহিঃপ্রকাশ বলে তিনি অভিমত দেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদি বলেন, ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়েই ঐতিহাসিক ‘ফার্মাসি অর্ডন্যান্স’ প্রণয়নের মাধ্যমে দেশীয় ওষুধ শিল্পের ভিত্তি রচিত হয়েছিল, যার ফলে বাংলাদেশ আজ ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণ। তিনি আরও যোগ করেন, ১৯৯৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এই শিল্পের উন্নয়নে যে নীতিমালা প্রণয়ন করেছিলেন, বর্তমান সরকার তা আধুনিকায়নের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও শিল্পের অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে।

নেভিয়ান লাইফসায়েন্স পিএলসি (সাবেক নোভার্টিস বাংলাদেশ লিমিটেড) জানায়, কোনো শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক কোম্পানির মাধ্যমে কানাডার মতো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত বাজারে বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি এটাই প্রথম। স্যান্ডোজ কানাডার ক্রয়াদেশে নেভিয়ানের টঙ্গী প্ল্যান্টে উৎপাদিত ওষুধ রপ্তানির মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। ভবিষ্যতে এই চুক্তির আওতায় ইউরোপসহ উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দেশেও বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ