জনগণের অভিযোগ ও সমস্যার কথা সরাসরি শুনে দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করতে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়মিত গণশুনানির আয়োজন করা হচ্ছে। বুধবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণশুনানি শেষে ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, সেবামুখী ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তুলতে এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রতি বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
গণশুনানিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়ে ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা, নামজারি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ও বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিয়ে তাদের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন। জেলা প্রশাসক জানান, সেবাপ্রার্থীদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনে অনেক সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া হচ্ছে এবং জটিল বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করা হচ্ছে।
ফরিদা খানম উল্লেখ করেন, গণশুনানিতে আসা কোনো নাগরিক যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের কাছে সাধারণ মানুষের সরাসরি পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি করে দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
একটি মানবিক ও সেবামুখী প্রশাসন গড়ে তুলতে এবং সরকারি কাজের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াতে গণশুনানি নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলেও জেলা প্রশাসক জানান। তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের ফলে অনেক দীর্ঘমেয়াদী সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব হচ্ছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
জনগণের অভিযোগ ও সমস্যার কথা সরাসরি শুনে দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করতে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়মিত গণশুনানির আয়োজন করা হচ্ছে। বুধবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণশুনানি শেষে ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, সেবামুখী ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তুলতে এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রতি বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
গণশুনানিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়ে ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা, নামজারি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ও বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিয়ে তাদের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন। জেলা প্রশাসক জানান, সেবাপ্রার্থীদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনে অনেক সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া হচ্ছে এবং জটিল বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করা হচ্ছে।
ফরিদা খানম উল্লেখ করেন, গণশুনানিতে আসা কোনো নাগরিক যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের কাছে সাধারণ মানুষের সরাসরি পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি করে দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
একটি মানবিক ও সেবামুখী প্রশাসন গড়ে তুলতে এবং সরকারি কাজের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াতে গণশুনানি নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলেও জেলা প্রশাসক জানান। তিনি বিশ্বাস করেন, জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের ফলে অনেক দীর্ঘমেয়াদী সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন