বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বাড়তে থাকায় আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এই খাতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বুধবার বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর বিএমএ ভবনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই দাবি জানানো হয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, দেশের শীর্ষ ১০টি রোগের তালিকায় বর্তমানে এক নম্বরে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপ।
সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর ৭১ শতাংশই ঘটে বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের কারণে, যার অন্যতম প্রধান উৎস উচ্চ রক্তচাপ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ২ লাখ ৮৩ হাজার ৮০০ মানুষের মধ্যে ৫২ শতাংশই উচ্চ রক্তচাপের শিকার ছিলেন। টেকসই অর্থায়নের অভাবে সরকারিভাবে বিনামূল্যে ওষুধ প্রদানের সিদ্ধান্ত থাকলেও তা মাঠপর্যায়ে পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না।
বক্তারা উল্লেখ করেন, তৃণমূল পর্যায়ে বিনামূল্যে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হলেও পর্যাপ্ত বাজেটের অভাবে সকল কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক ড. মো. এনামুল হক বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরবচ্ছিন্ন ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত হলে দেশে উচ্চ রক্তচাপজনিত মৃত্যুহার দ্রুত কমিয়ে আনা সম্ভব।
আলোচনা সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন। তারা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নীতি-প্রণেতাদের কার্যকর ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর অধ্যাপক ড. শাফিউন নাহিন শিমুল উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে টেকসই অর্থায়নকে রাষ্ট্রের জন্য একটি কার্যকর বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করার পরামর্শ দেন।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বাড়তে থাকায় আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এই খাতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বুধবার বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর বিএমএ ভবনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই দাবি জানানো হয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, দেশের শীর্ষ ১০টি রোগের তালিকায় বর্তমানে এক নম্বরে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপ।
সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর ৭১ শতাংশই ঘটে বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের কারণে, যার অন্যতম প্রধান উৎস উচ্চ রক্তচাপ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ২ লাখ ৮৩ হাজার ৮০০ মানুষের মধ্যে ৫২ শতাংশই উচ্চ রক্তচাপের শিকার ছিলেন। টেকসই অর্থায়নের অভাবে সরকারিভাবে বিনামূল্যে ওষুধ প্রদানের সিদ্ধান্ত থাকলেও তা মাঠপর্যায়ে পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না।
বক্তারা উল্লেখ করেন, তৃণমূল পর্যায়ে বিনামূল্যে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হলেও পর্যাপ্ত বাজেটের অভাবে সকল কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক ড. মো. এনামুল হক বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির পাশাপাশি বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরবচ্ছিন্ন ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত হলে দেশে উচ্চ রক্তচাপজনিত মৃত্যুহার দ্রুত কমিয়ে আনা সম্ভব।
আলোচনা সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন। তারা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নীতি-প্রণেতাদের কার্যকর ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর অধ্যাপক ড. শাফিউন নাহিন শিমুল উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে টেকসই অর্থায়নকে রাষ্ট্রের জন্য একটি কার্যকর বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করার পরামর্শ দেন।

আপনার মতামত লিখুন