গোপালগঞ্জের টুংগীপাড়ায় শ্রমিকের উচ্চ মজুরির কারণে নিজের জমির পাকা ধান কাটতে পারছিলেন না তিন মেয়ের জননী ও বিধবা নমিতা বিশ্বাস। এই সংকটের কথা জানতে পেরে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তার দুই বিঘা জমির ধান কেটে দিয়েছেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী।
বুধবার ভোর ৬টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের গুয়াদানা গ্রামে এই ধান কাটার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। নমিতা বিশ্বাস জানান, শ্রমিকের মজুরি ১২০০ টাকা হওয়ায় অর্থ সংকটে তিনি ধান কাটতে পারছিলেন না, এমপির এই উদ্যোগে তার অনেক উপকার হয়েছে।
সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বলেন, চলতি মৌসুমে ধান কাটার শ্রমিক পাওয়া কষ্টসাধ্য এবং ব্যয়বহুল হওয়ায় অনেক অসহায় মানুষ বিপাকে পড়েছেন। সেই লক্ষ্যেই দলীয়ভাবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যাতে গরিব মানুষের ধান কেটে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া যায়। এই সহায়তা কার্যক্রম আগামী এক সপ্তাহ অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
গোপালগঞ্জের টুংগীপাড়ায় শ্রমিকের উচ্চ মজুরির কারণে নিজের জমির পাকা ধান কাটতে পারছিলেন না তিন মেয়ের জননী ও বিধবা নমিতা বিশ্বাস। এই সংকটের কথা জানতে পেরে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তার দুই বিঘা জমির ধান কেটে দিয়েছেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী।
বুধবার ভোর ৬টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের গুয়াদানা গ্রামে এই ধান কাটার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। নমিতা বিশ্বাস জানান, শ্রমিকের মজুরি ১২০০ টাকা হওয়ায় অর্থ সংকটে তিনি ধান কাটতে পারছিলেন না, এমপির এই উদ্যোগে তার অনেক উপকার হয়েছে।
সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বলেন, চলতি মৌসুমে ধান কাটার শ্রমিক পাওয়া কষ্টসাধ্য এবং ব্যয়বহুল হওয়ায় অনেক অসহায় মানুষ বিপাকে পড়েছেন। সেই লক্ষ্যেই দলীয়ভাবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যাতে গরিব মানুষের ধান কেটে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া যায়। এই সহায়তা কার্যক্রম আগামী এক সপ্তাহ অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন