জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে এই বৈঠকটি সম্পন্ন হয়।
বৈঠকে তারা বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী গণতন্ত্রকে অর্থবহ করা এবং সংস্কার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় স্থান পায়।
পাশাপাশি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়েও উভয় পক্ষ কথা বলেন। ভবিষ্যতে উভয় পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পলিটিক্যাল ফার্স্ট সেক্রেটারি সেবাস্টিন রিগার ব্রাউন উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন তার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান ও এপিএস মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে এই বৈঠকটি সম্পন্ন হয়।
বৈঠকে তারা বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী গণতন্ত্রকে অর্থবহ করা এবং সংস্কার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় স্থান পায়।
পাশাপাশি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়েও উভয় পক্ষ কথা বলেন। ভবিষ্যতে উভয় পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পলিটিক্যাল ফার্স্ট সেক্রেটারি সেবাস্টিন রিগার ব্রাউন উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন তার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান ও এপিএস মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

আপনার মতামত লিখুন