ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তেহরানকে হয় ওয়াশিংটনের সাথে কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে, নয়তো সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখোমুখি হতে হবে। একটি আন্তর্জাতিক সম্প্রচার মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান হয় চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে, না হয় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, তেহরান তাদের কিছু সমরাস্ত্র সরিয়ে নিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের সকল প্রস্তুতি সম্পর্কে পূর্ণ অবগত। ইরানের ভূগর্ভস্থ মিসাইল মোতায়েনের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো হামলা হলে মাত্র একদিনের মধ্যেই সেগুলোর অস্তিত্ব শেষ করে দেওয়া হবে।
বর্তমান ইরানি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিষয়ে মিশ্র মূল্যায়ন তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, বর্তমান কর্মকর্তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি যৌক্তিক এবং বুদ্ধিমান। তিনি মনে করেন, ইরানের কূটনৈতিক আচরণের ধরনেও কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। তবে ইরানের ভূখণ্ড থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি তার কাছে নিরাপত্তার চেয়ে প্রচারণার দিক থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।
লিঙ্কন মেমোরিয়াল রিফ্লেক্টিং পুলে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প আরও বলেন, যদি দ্রুত যুদ্ধবিরতি বা চুক্তি স্বাক্ষর না হয়, তবে ইরানকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হবে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তিনি ইরানকে অতিদ্রুত চুক্তিতে আসার আহ্বান জানান এবং অন্যথায় বড় ধরনের সামরিক পরিণতির ইঙ্গিত দেন।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তেহরানকে হয় ওয়াশিংটনের সাথে কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে, নয়তো সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখোমুখি হতে হবে। একটি আন্তর্জাতিক সম্প্রচার মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান হয় চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে, না হয় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, তেহরান তাদের কিছু সমরাস্ত্র সরিয়ে নিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের সকল প্রস্তুতি সম্পর্কে পূর্ণ অবগত। ইরানের ভূগর্ভস্থ মিসাইল মোতায়েনের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো হামলা হলে মাত্র একদিনের মধ্যেই সেগুলোর অস্তিত্ব শেষ করে দেওয়া হবে।
বর্তমান ইরানি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিষয়ে মিশ্র মূল্যায়ন তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, বর্তমান কর্মকর্তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি যৌক্তিক এবং বুদ্ধিমান। তিনি মনে করেন, ইরানের কূটনৈতিক আচরণের ধরনেও কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। তবে ইরানের ভূখণ্ড থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি তার কাছে নিরাপত্তার চেয়ে প্রচারণার দিক থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।
লিঙ্কন মেমোরিয়াল রিফ্লেক্টিং পুলে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প আরও বলেন, যদি দ্রুত যুদ্ধবিরতি বা চুক্তি স্বাক্ষর না হয়, তবে ইরানকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হবে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তিনি ইরানকে অতিদ্রুত চুক্তিতে আসার আহ্বান জানান এবং অন্যথায় বড় ধরনের সামরিক পরিণতির ইঙ্গিত দেন।

আপনার মতামত লিখুন