ঢাকা নিউজ

বিরামপুরে কোরবানির হাটের আকর্ষণ ১,২০০ কেজির ‘মহারাজা’, দাম ২০ লাখ



বিরামপুরে কোরবানির হাটের আকর্ষণ ১,২০০ কেজির ‘মহারাজা’, দাম ২০ লাখ
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে প্রায় ১ হাজার ২০০ কেজি (৩০ মণ) ওজনের এক বিশাল আকৃতির ষাঁড়, যার নাম রাখা হয়েছে ‘মহারাজা’। উপজেলার খানপুর দক্ষিণ শাহাবাজপুর গ্রামের খামারি লুৎফর রহমানের খামারে বেড়ে ওঠা এই রাজকীয় ষাঁড়টির সম্ভাব্য দাম ধরা হয়েছে প্রায় ২০ লাখ টাকা। বিশাল দেহ ও রাজকীয় অবয়বের কারণে দূর থেকে এটিকে ছোটখাটো হাতির মতো দেখায়। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ এক নজর মহারাজাকে দেখতে, ছবি তুলতে এবং ভিডিও করতে খামারে ভিড় জমাচ্ছেন।

খামারের মালিক পেশায় একজন ড্রাইভার হলেও ছোটবেলা থেকেই গরু পালনের প্রতি তাঁর আলাদা আগ্রহ ছিল। প্রায় পাঁচ বছর আগে একটি ছোট বাছুর কিনে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে, কোনো প্রকার ক্ষতিকর ওষুধ ছাড়াই নিজের সন্তানের মতো পরম যত্নে লালন-পালন করে মহারাজাকে এই পর্যায়ে এনেছেন। মহারাজার খাবারের তালিকাও বেশ রাজকীয়; প্রতিদিন খড়, ভুট্টা, কাঁচা ঘাস, গমের ভুসি, খৈল, আপেল ও কলাসহ ৮-১০ ধরনের পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হয়, যার পেছনে দৈনিক খরচ হয় দুই হাজার টাকারও বেশি।

বিরামপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বিপুল কুমার চক্রবর্তী জানান, খানপুরের মহারাজা বর্তমানে দিনাজপুর জেলার অন্যতম বড় ষাঁড় এবং এই উপজেলায় এত বড় গরু এবারই প্রথম লালন-পালন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এবার বিরামপুর উপজেলায় প্রায় ৪ হাজার ছোট-বড় খামারে চাহিদার তুলনায় বেশি— অর্থাৎ প্রায় ৩৯ হাজার কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, মহারাজার বিপুল আকৃতি ও শান্ত স্বভাবের কারণে তাকে ঘিরে দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের আগ্রহ ততটাই বাড়ছে এবং হাটে এটি রেকর্ড দামে বিক্রি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

রোববার, ১৭ মে ২০২৬


বিরামপুরে কোরবানির হাটের আকর্ষণ ১,২০০ কেজির ‘মহারাজা’, দাম ২০ লাখ

প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬

featured Image

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে প্রায় ১ হাজার ২০০ কেজি (৩০ মণ) ওজনের এক বিশাল আকৃতির ষাঁড়, যার নাম রাখা হয়েছে ‘মহারাজা’। উপজেলার খানপুর দক্ষিণ শাহাবাজপুর গ্রামের খামারি লুৎফর রহমানের খামারে বেড়ে ওঠা এই রাজকীয় ষাঁড়টির সম্ভাব্য দাম ধরা হয়েছে প্রায় ২০ লাখ টাকা। বিশাল দেহ ও রাজকীয় অবয়বের কারণে দূর থেকে এটিকে ছোটখাটো হাতির মতো দেখায়। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ এক নজর মহারাজাকে দেখতে, ছবি তুলতে এবং ভিডিও করতে খামারে ভিড় জমাচ্ছেন।

খামারের মালিক পেশায় একজন ড্রাইভার হলেও ছোটবেলা থেকেই গরু পালনের প্রতি তাঁর আলাদা আগ্রহ ছিল। প্রায় পাঁচ বছর আগে একটি ছোট বাছুর কিনে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে, কোনো প্রকার ক্ষতিকর ওষুধ ছাড়াই নিজের সন্তানের মতো পরম যত্নে লালন-পালন করে মহারাজাকে এই পর্যায়ে এনেছেন। মহারাজার খাবারের তালিকাও বেশ রাজকীয়; প্রতিদিন খড়, ভুট্টা, কাঁচা ঘাস, গমের ভুসি, খৈল, আপেল ও কলাসহ ৮-১০ ধরনের পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হয়, যার পেছনে দৈনিক খরচ হয় দুই হাজার টাকারও বেশি।

বিরামপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বিপুল কুমার চক্রবর্তী জানান, খানপুরের মহারাজা বর্তমানে দিনাজপুর জেলার অন্যতম বড় ষাঁড় এবং এই উপজেলায় এত বড় গরু এবারই প্রথম লালন-পালন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এবার বিরামপুর উপজেলায় প্রায় ৪ হাজার ছোট-বড় খামারে চাহিদার তুলনায় বেশি— অর্থাৎ প্রায় ৩৯ হাজার কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, মহারাজার বিপুল আকৃতি ও শান্ত স্বভাবের কারণে তাকে ঘিরে দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের আগ্রহ ততটাই বাড়ছে এবং হাটে এটি রেকর্ড দামে বিক্রি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ