সুন্দরবনের কুখ্যাত দস্যু 'করিম শরীফ বাহিনী'র সেকেন্ড ইন কমান্ডসহ ২ সক্রিয় সদস্যকে অস্ত্র ও গুলিসহ আটক করেছে কোস্ট গার্ড। একই সাথে তাদের কাছে জিম্মি থাকা ৪ জন জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১৭ মে) সকালে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। এই নিয়ে "অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড"-এর আওতায় সুন্দরবন থেকে মোট ১১ জন বনদস্যুকে আটক করা হলো।
কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট আশিকুল ইসলাম ইমন জানান, করিম শরীফ বাহিনীর সদস্যরা সুন্দরবনের ঢাংমারী খাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে— এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার ভোর ৪টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা ওই এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যু দলটি পালানোর চেষ্টা করলে আভিযানিক দল তাদের ধাওয়া করে ১টি বিদেশি একনলা বন্দুক, ২টি দেশীয় একনলা বন্দুক এবং ২৪ রাউন্ড তাজা কার্তুজসহ দুই দস্যুকে হাতেনাতে আটক করে।
আটককৃত দস্যুরা হলো— বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড রাজন শরীফ (২০), সে বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা এবং মোঃ রবিউল শেখ (৩০), সে একই জেলার রামপাল উপজেলার বাসিন্দা। আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতিসহ সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল। এর মধ্যে রাজন শরীফের বিরুদ্ধে বাগেরহাট সদর থানায় একটি হত্যা মামলাও রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, সুন্দরবন অঞ্চলকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” এবং “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ষষ্ঠবারের মতো অভিযান চালিয়ে এই কুখ্যাত বাহিনীর সদস্যদের আটক করা সম্ভব হলো। সুন্দরবনের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ডাকাত ও তাদের সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে কোস্ট গার্ডের এই চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
সুন্দরবনের কুখ্যাত দস্যু 'করিম শরীফ বাহিনী'র সেকেন্ড ইন কমান্ডসহ ২ সক্রিয় সদস্যকে অস্ত্র ও গুলিসহ আটক করেছে কোস্ট গার্ড। একই সাথে তাদের কাছে জিম্মি থাকা ৪ জন জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১৭ মে) সকালে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। এই নিয়ে "অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড"-এর আওতায় সুন্দরবন থেকে মোট ১১ জন বনদস্যুকে আটক করা হলো।
কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট আশিকুল ইসলাম ইমন জানান, করিম শরীফ বাহিনীর সদস্যরা সুন্দরবনের ঢাংমারী খাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে— এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার ভোর ৪টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা ওই এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যু দলটি পালানোর চেষ্টা করলে আভিযানিক দল তাদের ধাওয়া করে ১টি বিদেশি একনলা বন্দুক, ২টি দেশীয় একনলা বন্দুক এবং ২৪ রাউন্ড তাজা কার্তুজসহ দুই দস্যুকে হাতেনাতে আটক করে।
আটককৃত দস্যুরা হলো— বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড রাজন শরীফ (২০), সে বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা এবং মোঃ রবিউল শেখ (৩০), সে একই জেলার রামপাল উপজেলার বাসিন্দা। আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতিসহ সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল। এর মধ্যে রাজন শরীফের বিরুদ্ধে বাগেরহাট সদর থানায় একটি হত্যা মামলাও রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, সুন্দরবন অঞ্চলকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” এবং “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ষষ্ঠবারের মতো অভিযান চালিয়ে এই কুখ্যাত বাহিনীর সদস্যদের আটক করা সম্ভব হলো। সুন্দরবনের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ডাকাত ও তাদের সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে কোস্ট গার্ডের এই চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন