ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক সংকট ও তীব্র সমালোচনার মুখে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগ করতে প্রস্তুত বলে জানা গেছে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার একজন সদস্য জানিয়েছেন, স্টারমার প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে রাজি আছেন, তবে তিনি তা ‘নিজের শর্তে’ এবং মর্যাদার সঙ্গে নিজের পছন্দমতো সময়েই করতে চান। বর্তমান পরিস্থিতির বিশৃঙ্খলা দীর্ঘদিন টেকসই নয় বুঝতে পেরে তিনি শিগগিরই এ বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করবেন বলে সূত্রটি জানিয়েছে।
ভোটারদের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ এবং একের পর এক বিতর্কে যুক্তরাজ্যের বর্তমান লেবার সরকার চরম সংকটে পড়েছে। পিটার ম্যান্ডেলসনের নিয়োগ এবং শিশু যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক এবং স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির হতাশাজনক ফলাফলের পর থেকেই স্টারমারের পদত্যাগের দাবি জোরালো হচ্ছিল। এর মধ্যে সর্বশেষ বড় ধাক্কাটি আসে তাঁর মন্ত্রিসভার সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের পদত্যাগের মাধ্যমে। শনিবার স্ট্রিটিং স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনে তিনি স্টারমারের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড়ে অংশ নেবেন। একই সঙ্গে তিনি স্টারমারকে দ্রুত সরে দাঁড়ানোর জন্য একটি সময়সূচি নির্ধারণের আহ্বানও জানান।
রাজনৈতিক এই অস্থিরতার পাশাপাশি কিয়ার স্টারমারের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাও এখন তলানিতে ঠেকেছে। জরিপ সংস্থা ইউগোভের (YouGov) সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুযায়ী, প্রায় ৬৯ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক লেবার প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অসন্তুষ্ট। ইউগোভ আরও জানিয়েছে, বর্তমানে স্টারমার যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে অজনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। অনেকেই তাঁর এই রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রুসের মাত্র ৪৯ দিনের সংক্ষিপ্ত ও বিপর্যয়কর শাসনামলের তুলনা করছেন।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক সংকট ও তীব্র সমালোচনার মুখে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগ করতে প্রস্তুত বলে জানা গেছে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার একজন সদস্য জানিয়েছেন, স্টারমার প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে রাজি আছেন, তবে তিনি তা ‘নিজের শর্তে’ এবং মর্যাদার সঙ্গে নিজের পছন্দমতো সময়েই করতে চান। বর্তমান পরিস্থিতির বিশৃঙ্খলা দীর্ঘদিন টেকসই নয় বুঝতে পেরে তিনি শিগগিরই এ বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করবেন বলে সূত্রটি জানিয়েছে।
ভোটারদের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ এবং একের পর এক বিতর্কে যুক্তরাজ্যের বর্তমান লেবার সরকার চরম সংকটে পড়েছে। পিটার ম্যান্ডেলসনের নিয়োগ এবং শিশু যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক এবং স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির হতাশাজনক ফলাফলের পর থেকেই স্টারমারের পদত্যাগের দাবি জোরালো হচ্ছিল। এর মধ্যে সর্বশেষ বড় ধাক্কাটি আসে তাঁর মন্ত্রিসভার সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের পদত্যাগের মাধ্যমে। শনিবার স্ট্রিটিং স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনে তিনি স্টারমারের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড়ে অংশ নেবেন। একই সঙ্গে তিনি স্টারমারকে দ্রুত সরে দাঁড়ানোর জন্য একটি সময়সূচি নির্ধারণের আহ্বানও জানান।
রাজনৈতিক এই অস্থিরতার পাশাপাশি কিয়ার স্টারমারের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাও এখন তলানিতে ঠেকেছে। জরিপ সংস্থা ইউগোভের (YouGov) সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুযায়ী, প্রায় ৬৯ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক লেবার প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অসন্তুষ্ট। ইউগোভ আরও জানিয়েছে, বর্তমানে স্টারমার যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে অজনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। অনেকেই তাঁর এই রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রুসের মাত্র ৪৯ দিনের সংক্ষিপ্ত ও বিপর্যয়কর শাসনামলের তুলনা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন