টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এসএসসি পরীক্ষার হলে প্রচণ্ড গরমে একজন ছাত্রী অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। রোববার (১৭ মে) বিজ্ঞান পরীক্ষায় ভূঞাপুর পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের আয়েশা নামে এক ছাত্রী ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় এক ঘণ্টা পরীক্ষা দেওয়ার পর অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
অসুস্থ আয়েশা আক্তারের সহপাঠী তিথি জানায়, তারা পাশাপাশি বসে পরীক্ষা দিচ্ছিল। বিদ্যুৎ না থাকায় তারা প্রচণ্ড অস্বস্তি বোধ করছিল এবং এক ঘণ্টা পরীক্ষা দেওয়ার পর আয়েশা অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলে শিক্ষকেরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। অসুস্থ পরীক্ষার্থী আয়েশা আক্তার সীমা কালিহাতী উপজেলার সোনাকান্দর গ্রামের কবির সরকারের মেয়ে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মনিরুজ্জামান তরফদার বাবু জানান, পরীক্ষার হলে বিদ্যুৎ না থাকায় ছাত্রীটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। সংবাদ পেয়ে হলে গিয়ে দেখা যায় সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে এবং পরে তাকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে সিট না থাকায় তাকে বারান্দায় ফ্যানবিহীন সিটে রাখা হয়েছে।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মনিরুল ইসলাম জানান, মেয়েটি শারীরিকভাবে দুর্বল ছিল এবং হাসপাতালে আনার পরে দ্রুত চিকিৎসাসেবা শুরু করা হয়েছে। হাসপাতালে বেড না থাকায় তাকে বারান্দায় রাখা হয়েছে এবং দ্রুতই কেবিন বা সিটের ব্যবস্থা করা হবে।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এসএসসি পরীক্ষার হলে প্রচণ্ড গরমে একজন ছাত্রী অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। রোববার (১৭ মে) বিজ্ঞান পরীক্ষায় ভূঞাপুর পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের আয়েশা নামে এক ছাত্রী ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় এক ঘণ্টা পরীক্ষা দেওয়ার পর অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
অসুস্থ আয়েশা আক্তারের সহপাঠী তিথি জানায়, তারা পাশাপাশি বসে পরীক্ষা দিচ্ছিল। বিদ্যুৎ না থাকায় তারা প্রচণ্ড অস্বস্তি বোধ করছিল এবং এক ঘণ্টা পরীক্ষা দেওয়ার পর আয়েশা অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলে শিক্ষকেরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। অসুস্থ পরীক্ষার্থী আয়েশা আক্তার সীমা কালিহাতী উপজেলার সোনাকান্দর গ্রামের কবির সরকারের মেয়ে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. মনিরুজ্জামান তরফদার বাবু জানান, পরীক্ষার হলে বিদ্যুৎ না থাকায় ছাত্রীটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। সংবাদ পেয়ে হলে গিয়ে দেখা যায় সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে এবং পরে তাকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে সিট না থাকায় তাকে বারান্দায় ফ্যানবিহীন সিটে রাখা হয়েছে।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মনিরুল ইসলাম জানান, মেয়েটি শারীরিকভাবে দুর্বল ছিল এবং হাসপাতালে আনার পরে দ্রুত চিকিৎসাসেবা শুরু করা হয়েছে। হাসপাতালে বেড না থাকায় তাকে বারান্দায় রাখা হয়েছে এবং দ্রুতই কেবিন বা সিটের ব্যবস্থা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন