পবিত্র হজে যেতে না পারার শঙ্কায় থাকা দুই হজযাত্রীর সৌদি আরব যাত্রা শেষ মুহূর্তে নিশ্চিত করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। হজ ফ্লাইটের একদম শেষ সময়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ ও এয়ারলাইন্সের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে এই যাত্রার ব্যবস্থা করেন।
জানা গেছে, হজ কার্যক্রমের শেষ সময়ে যখন ওই দুই হজযাত্রীকে নিয়ে চরম সংকট তৈরি হয়, তখন ধর্ম মন্ত্রণালয় ও হাবের (হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) দায়িত্বশীল অনেকেই ঢাকায় উপস্থিত ছিলেন না। এমন পরিস্থিতিতে কোনো বিকল্প না দেখে ধর্মমন্ত্রী নিজেই পুরো বিষয়টি তদারকি করার সিদ্ধান্ত নেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুই হজযাত্রীর টিকিট ও প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ধর্মমন্ত্রী সর্বোচ্চ চেষ্টা চালান। তিনি বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট সংস্থা এবং এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় করেন। এমনকি এই প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা সংগ্রহ করতেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেন এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে অর্থের সংস্থান করেন।
শেষ পর্যন্ত ওই দুই হজযাত্রী বাংলাদেশের সর্বশেষ হজ ফ্লাইটে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ধর্মমন্ত্রীর এই আন্তরিক, মানবিক ও দায়িত্বশীল উদ্যোগের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
পবিত্র হজে যেতে না পারার শঙ্কায় থাকা দুই হজযাত্রীর সৌদি আরব যাত্রা শেষ মুহূর্তে নিশ্চিত করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। হজ ফ্লাইটের একদম শেষ সময়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ ও এয়ারলাইন্সের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে এই যাত্রার ব্যবস্থা করেন।
জানা গেছে, হজ কার্যক্রমের শেষ সময়ে যখন ওই দুই হজযাত্রীকে নিয়ে চরম সংকট তৈরি হয়, তখন ধর্ম মন্ত্রণালয় ও হাবের (হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) দায়িত্বশীল অনেকেই ঢাকায় উপস্থিত ছিলেন না। এমন পরিস্থিতিতে কোনো বিকল্প না দেখে ধর্মমন্ত্রী নিজেই পুরো বিষয়টি তদারকি করার সিদ্ধান্ত নেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুই হজযাত্রীর টিকিট ও প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ধর্মমন্ত্রী সর্বোচ্চ চেষ্টা চালান। তিনি বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট সংস্থা এবং এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় করেন। এমনকি এই প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা সংগ্রহ করতেও তিনি ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেন এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে অর্থের সংস্থান করেন।
শেষ পর্যন্ত ওই দুই হজযাত্রী বাংলাদেশের সর্বশেষ হজ ফ্লাইটে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ধর্মমন্ত্রীর এই আন্তরিক, মানবিক ও দায়িত্বশীল উদ্যোগের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন