ঢাকা নিউজ

শপথমঞ্চে ‘রাহুল গান্ধী জিন্দাবাদ’ স্লোগানে তীব্র বিতর্ক



শপথমঞ্চে ‘রাহুল গান্ধী জিন্দাবাদ’ স্লোগানে তীব্র বিতর্ক
ছবি : সংগৃহীত

তামিলনাড়ুর নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর কংগ্রেস নেতা এস রাজেশ কুমারের ‘রাহুল গান্ধী জিন্দাবাদ’ স্লোগানকে ঘিরে এক তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। কিলিউর কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত এই কংগ্রেস বিধায়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর আচমকাই দলের প্রয়াত নেতা কামারাজ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নামে স্লোগান দিতে শুরু করেন। তিনি পর পর ‘কামারাজ অমর রহে’, ‘ভারতরত্ন রাজীব গান্ধী অমর রহে’ এবং ‘জননেতা রাহুল গান্ধী জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেন, যা শুনে মঞ্চে উপস্থিত রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকর স্পষ্ট অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান যে এটি শপথের অংশ নয়।

রাজ্যপালের সরাসরি আপত্তির পরও রাজেশ কুমারের মুখে হাসি দেখা যায় এবং এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয় রাজনৈতিক আলোচনা। বিরোধী দলগুলোর একাংশের অভিযোগ, সাংবিধানিক শপথের মতো গুরুতর অনুষ্ঠানে এমন দলীয় স্লোগান দেওয়া মোটেও শোভন নয়। অন্যদিকে কংগ্রেস সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘ অপেক্ষার পর সরকারে অংশীদার হওয়ায় এটি ছিল স্রেফ আবেগের বহিঃপ্রকাশ এবং দলের ঐতিহাসিক নেতাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর একটি মুহূর্ত।

তামিলনাড়ুর এই নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে এবার অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের শরিক হিসেবে প্রায় ছয় দশক পর ঐতিহাসিকভাবে মন্ত্রিসভায় প্রবেশ করেছে কংগ্রেস। নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও এককভাবে সরকার গঠনের প্রয়োজনীয় আসনে পৌঁছাতে না পারায় কংগ্রেসের পাঁচ বিধায়কের সমর্থনে বিজয়ের দল সরকার গঠন করে এবং এর বিনিময়ে কংগ্রেসের দুই নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গত দুই দশক ধরে ডিএমকের সঙ্গে জোটে থাকলেও কখনও মন্ত্রিসভায় জায়গা না পাওয়া কংগ্রেসের একাংশ মনে করছে, দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটার উচ্ছ্বাস ও আবেগ থেকেই এস রাজেশ কুমার এই স্লোগান দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬


শপথমঞ্চে ‘রাহুল গান্ধী জিন্দাবাদ’ স্লোগানে তীব্র বিতর্ক

প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬

featured Image

তামিলনাড়ুর নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর কংগ্রেস নেতা এস রাজেশ কুমারের ‘রাহুল গান্ধী জিন্দাবাদ’ স্লোগানকে ঘিরে এক তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। কিলিউর কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত এই কংগ্রেস বিধায়ক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর আচমকাই দলের প্রয়াত নেতা কামারাজ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নামে স্লোগান দিতে শুরু করেন। তিনি পর পর ‘কামারাজ অমর রহে’, ‘ভারতরত্ন রাজীব গান্ধী অমর রহে’ এবং ‘জননেতা রাহুল গান্ধী জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেন, যা শুনে মঞ্চে উপস্থিত রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকর স্পষ্ট অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান যে এটি শপথের অংশ নয়।

রাজ্যপালের সরাসরি আপত্তির পরও রাজেশ কুমারের মুখে হাসি দেখা যায় এবং এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয় রাজনৈতিক আলোচনা। বিরোধী দলগুলোর একাংশের অভিযোগ, সাংবিধানিক শপথের মতো গুরুতর অনুষ্ঠানে এমন দলীয় স্লোগান দেওয়া মোটেও শোভন নয়। অন্যদিকে কংগ্রেস সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘ অপেক্ষার পর সরকারে অংশীদার হওয়ায় এটি ছিল স্রেফ আবেগের বহিঃপ্রকাশ এবং দলের ঐতিহাসিক নেতাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর একটি মুহূর্ত।

তামিলনাড়ুর এই নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে এবার অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের শরিক হিসেবে প্রায় ছয় দশক পর ঐতিহাসিকভাবে মন্ত্রিসভায় প্রবেশ করেছে কংগ্রেস। নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও এককভাবে সরকার গঠনের প্রয়োজনীয় আসনে পৌঁছাতে না পারায় কংগ্রেসের পাঁচ বিধায়কের সমর্থনে বিজয়ের দল সরকার গঠন করে এবং এর বিনিময়ে কংগ্রেসের দুই নেতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গত দুই দশক ধরে ডিএমকের সঙ্গে জোটে থাকলেও কখনও মন্ত্রিসভায় জায়গা না পাওয়া কংগ্রেসের একাংশ মনে করছে, দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটার উচ্ছ্বাস ও আবেগ থেকেই এস রাজেশ কুমার এই স্লোগান দিয়েছেন।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ