এক সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন বিএনপির ছাত্রসংগঠন ছাত্রদলের নেতা পরিচয় দিয়ে নানান অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে গাজী জুয়েল। নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার ৪ নম্বর আলাইয়াপুর ইউনিয়নের বালুচরা গ্রামের বাসিন্দা জুয়েলের বিরুদ্ধে তৎকালীন সময়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগ ওঠে। ওই হত্যা মামলার কারণে পরবর্তীতে তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারও করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পরও গাজী জুয়েলের অপকর্ম থেমে থাকেনি। বর্তমানে সে স্বেচ্ছাসেবক দলের নাম ভাঙিয়ে ঢাকা শহরের বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দীর্ঘদিন যাবত জোরপূর্বক চাঁদা দাবি করে আসছে। নির্দিষ্ট কোনো পেশা না থাকায় বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে মুঠোফোনের মাধ্যমে সরাসরি হুমকি দিয়ে চাঁদা আদায় করাই তার প্রধান জীবিকায় পরিণত হয়েছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সে ব্যবসায়ীদের নানাভাবে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
সম্প্রতি সচিবালয়ের সামনে এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হয় গাজী জুয়েল। এরপরও সে ঢাকাতেই অবস্থান করছে এবং বড় বড় ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের দলীয় প্রভাব খাটিয়ে অনবরত হুমকি ও চাঁদা দাবি করে যাচ্ছে। জুয়েলের এমন লাগামহীন কর্মকাণ্ড ও তার লোকজনের হুমকির কারণে রাজধানীর ব্যবসায়ীরা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, গাজী জুয়েল নিজের জন্মস্থান নোয়াখালীর আলাইয়াপুর ইউনিয়নের স্থানীয় বাজারেও ছাত্রদল নেতা পরিচয় দিয়ে মুঠোফোনের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের হুমকি ও চাঁদাবাজি করত। পরবর্তীতে তার এই অপকর্মের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাজার ব্যবসায়ীরা কঠোর পদক্ষেপ নিলে সে এলাকা ছেড়ে ঢাকায় পালিয়ে আসে। ঢাকায় এসেও সে একইভাবে রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে নতুন উদ্যমে চাঁদাবাজি শুরু করে।
গাজী জুয়েলের এই ধারাবাহিক চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ঢাকার অনেক ব্যবসায়ী ইতোমধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো আইনগত বা দলীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। জুয়েলের এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে মুক্তি পেতে এবং নিরাপদ ব্যবসায়িক পরিবেশ বজায় রাখতে তার বিরুদ্ধে কঠোর ও দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
এক সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন বিএনপির ছাত্রসংগঠন ছাত্রদলের নেতা পরিচয় দিয়ে নানান অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে গাজী জুয়েল। নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার ৪ নম্বর আলাইয়াপুর ইউনিয়নের বালুচরা গ্রামের বাসিন্দা জুয়েলের বিরুদ্ধে তৎকালীন সময়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগ ওঠে। ওই হত্যা মামলার কারণে পরবর্তীতে তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারও করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পরও গাজী জুয়েলের অপকর্ম থেমে থাকেনি। বর্তমানে সে স্বেচ্ছাসেবক দলের নাম ভাঙিয়ে ঢাকা শহরের বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দীর্ঘদিন যাবত জোরপূর্বক চাঁদা দাবি করে আসছে। নির্দিষ্ট কোনো পেশা না থাকায় বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে মুঠোফোনের মাধ্যমে সরাসরি হুমকি দিয়ে চাঁদা আদায় করাই তার প্রধান জীবিকায় পরিণত হয়েছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সে ব্যবসায়ীদের নানাভাবে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
সম্প্রতি সচিবালয়ের সামনে এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হয় গাজী জুয়েল। এরপরও সে ঢাকাতেই অবস্থান করছে এবং বড় বড় ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের দলীয় প্রভাব খাটিয়ে অনবরত হুমকি ও চাঁদা দাবি করে যাচ্ছে। জুয়েলের এমন লাগামহীন কর্মকাণ্ড ও তার লোকজনের হুমকির কারণে রাজধানীর ব্যবসায়ীরা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, গাজী জুয়েল নিজের জন্মস্থান নোয়াখালীর আলাইয়াপুর ইউনিয়নের স্থানীয় বাজারেও ছাত্রদল নেতা পরিচয় দিয়ে মুঠোফোনের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের হুমকি ও চাঁদাবাজি করত। পরবর্তীতে তার এই অপকর্মের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাজার ব্যবসায়ীরা কঠোর পদক্ষেপ নিলে সে এলাকা ছেড়ে ঢাকায় পালিয়ে আসে। ঢাকায় এসেও সে একইভাবে রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে নতুন উদ্যমে চাঁদাবাজি শুরু করে।
গাজী জুয়েলের এই ধারাবাহিক চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ঢাকার অনেক ব্যবসায়ী ইতোমধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো আইনগত বা দলীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। জুয়েলের এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে মুক্তি পেতে এবং নিরাপদ ব্যবসায়িক পরিবেশ বজায় রাখতে তার বিরুদ্ধে কঠোর ও দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা।

আপনার মতামত লিখুন