শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকীতে শোক অনুষ্ঠান না করে নাচ-গানসহ আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠার অভিযোগে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহবুব আলম মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলমকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার জয়পুরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের যৌথ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই দলীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বহিষ্কারের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ মে দেশব্যাপী যখন যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী পালন করা হচ্ছিল, তখন সোনামুখী ইউনিয়নের এই দুই শীর্ষ নেতা দলের কোনো কর্মসূচি পালন করেননি। বরং শোকের এই দিনে দলীয় কর্মসূচি বর্জন করে তারা উল্টো জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতা স্থানীয় সাবেক এক সংসদ সদস্যের নাম ব্যবহার করে অশ্লীল নাচ-গানসহ আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠেন।
জয়পুরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধানের নির্দেশক্রমে প্রেরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, শোকাবহ দিনে এ ধরনের অসাংগঠনিক ও অশ্লীল কর্মকাণ্ড দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ফলে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও ক্ষতিকর প্রভাব এড়াতে ৩০ মের ওই নিন্দনীয় ঘটনার প্রেক্ষিতে তাদের দুজনকে সোনামুখী ইউনিয়ন বিএনপির পদসহ দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো এবং এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
জয়পুরহাট জেলা বিএনপির শীর্ষ এই দুই নেতা আরও জানান, আগামীতেও সংগঠনের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যেকোনো অপকর্মের বিরুদ্ধে এমন জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে।

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকীতে শোক অনুষ্ঠান না করে নাচ-গানসহ আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠার অভিযোগে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহবুব আলম মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলমকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার জয়পুরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের যৌথ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই দলীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বহিষ্কারের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
জেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ মে দেশব্যাপী যখন যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী পালন করা হচ্ছিল, তখন সোনামুখী ইউনিয়নের এই দুই শীর্ষ নেতা দলের কোনো কর্মসূচি পালন করেননি। বরং শোকের এই দিনে দলীয় কর্মসূচি বর্জন করে তারা উল্টো জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতা স্থানীয় সাবেক এক সংসদ সদস্যের নাম ব্যবহার করে অশ্লীল নাচ-গানসহ আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠেন।
জয়পুরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধানের নির্দেশক্রমে প্রেরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, শোকাবহ দিনে এ ধরনের অসাংগঠনিক ও অশ্লীল কর্মকাণ্ড দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ফলে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও ক্ষতিকর প্রভাব এড়াতে ৩০ মের ওই নিন্দনীয় ঘটনার প্রেক্ষিতে তাদের দুজনকে সোনামুখী ইউনিয়ন বিএনপির পদসহ দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো এবং এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
জয়পুরহাট জেলা বিএনপির শীর্ষ এই দুই নেতা আরও জানান, আগামীতেও সংগঠনের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যেকোনো অপকর্মের বিরুদ্ধে এমন জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন