গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের মান্দুরা গ্রামের দাসপাড়ায় আকস্মিক বজ্রপাতে মা ও ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন ওই গ্রামের শৈলেন চন্দ্র দাসের স্ত্রী কল্পনা রাণী (৫৫) এবং তাদের ছেলে সোহাগ চন্দ্র দাস (৩২)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোহাগ চন্দ্র দাস ঢাকায় চাকরি করতেন এবং সম্প্রতি ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন। বুধবার বিকেলে আবহাওয়া খারাপ হয়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিলে মা ও ছেলে বাড়ির বাইরে শুকাতে দেওয়া খড়ের পাতা তুলতে যান। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাতের শিকার হয়ে তারা দুজনেই গুরুতর আহত হন।
ভরতখালী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সাহিন আলম এবং ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন (মন্ডল) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, বজ্রপাতের পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই পথেই কল্পনা রাণী ও সোহাগ চন্দ্র দাসের মৃত্যু হয়।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের মান্দুরা গ্রামের দাসপাড়ায় আকস্মিক বজ্রপাতে মা ও ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন ওই গ্রামের শৈলেন চন্দ্র দাসের স্ত্রী কল্পনা রাণী (৫৫) এবং তাদের ছেলে সোহাগ চন্দ্র দাস (৩২)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোহাগ চন্দ্র দাস ঢাকায় চাকরি করতেন এবং সম্প্রতি ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন। বুধবার বিকেলে আবহাওয়া খারাপ হয়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিলে মা ও ছেলে বাড়ির বাইরে শুকাতে দেওয়া খড়ের পাতা তুলতে যান। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাতের শিকার হয়ে তারা দুজনেই গুরুতর আহত হন।
ভরতখালী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সাহিন আলম এবং ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন (মন্ডল) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, বজ্রপাতের পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই পথেই কল্পনা রাণী ও সোহাগ চন্দ্র দাসের মৃত্যু হয়।

আপনার মতামত লিখুন