ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে ভবিষ্যতে খামেনির সঙ্গে তার এই বৈঠক হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
গত বুধবার (৩ জুন) নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তিনি খামেনির সঙ্গে দেখা করতে চান এবং সবকিছু কীভাবে এগোয় তার ওপর নির্ভর করে কোনো এক সময়ে সম্ভবত তাদের এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপের ফলে যখন বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, ঠিক তখনই ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এমন মন্তব্য এলো।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, স্বাস্থ্য নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা থাকা সত্ত্বেও খামেনি এখনো ইরানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
সম্প্রতি বিভিন্ন প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় খামেনি গুরুতর আহত হওয়ার দাবি করা হলেও এ বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি এবং ইরানি কর্তৃপক্ষও তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
এই প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, তিনি এখনো খামেনির সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাননি, তবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান এই চরম উত্তেজনার মধ্যেই ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য কূটনৈতিক যোগাযোগের একটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে ভবিষ্যতে খামেনির সঙ্গে তার এই বৈঠক হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
গত বুধবার (৩ জুন) নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তিনি খামেনির সঙ্গে দেখা করতে চান এবং সবকিছু কীভাবে এগোয় তার ওপর নির্ভর করে কোনো এক সময়ে সম্ভবত তাদের এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপের ফলে যখন বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, ঠিক তখনই ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এমন মন্তব্য এলো।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, স্বাস্থ্য নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা থাকা সত্ত্বেও খামেনি এখনো ইরানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
সম্প্রতি বিভিন্ন প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় খামেনি গুরুতর আহত হওয়ার দাবি করা হলেও এ বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি এবং ইরানি কর্তৃপক্ষও তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
এই প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, তিনি এখনো খামেনির সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাননি, তবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান এই চরম উত্তেজনার মধ্যেই ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য কূটনৈতিক যোগাযোগের একটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন