মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থা, আকাশপথের অনিশ্চয়তা এবং ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির কারণে খরচ দ্বিগুণ হওয়া সত্ত্বেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের মধ্যে এবারও হজ পালনের প্রবল আগ্রহ দেখা গেছে। বিশেষ করে এশিয়ার মুসলিমদের দীর্ঘদিনের সঞ্চয় ও মানসিক প্রস্তুতি যুদ্ধের আশঙ্কাকেও স্তিমিত করতে পারেনি, যার ফলে চলতি বছরেও প্রায় ১৭ লাখ মুসল্লি হজে অংশ নিয়েছেন।
ইসলামের এই মৌলিক স্তম্ভটি পালনের জন্য ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশে প্রায় ৫৭ লাখ মানুষ অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছেন, যেখানে বার্ষিক কোটা মাত্র ২ লাখ ২০ হাজার হওয়ায় একেকজনকে প্রায় ৪০ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে এবার কিছু হজযাত্রীকে বিকল্প রুট ব্যবহার করতে হয়েছে এবং বিমান ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ায় ইন্দোনেশিয়া ও ভারতের মতো দেশগুলো হজযাত্রীদের অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বা বাড়তি ফি আদায় করেছে।
এদিকে ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে এসে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে হজের প্যাকেজ মূল্য প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৩ লাখ থেকে ৬ লাখ টাকায় ঠেকেছে, যার পেছনে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি এবং মক্কায় সস্তা আবাসন ভেঙে বিলাসবহুল হোটেল নির্মাণকে দায়ী করা হচ্ছে। এই চরম ব্যয়বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ গত কয়েক বছর ধরে নির্ধারিত কোটা পূরণ করতে পারেনি এবং কোটা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৫০০-তে নামানো হয়েছে; পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার এখন বিকল্প হিসেবে ওমরাহ এবং সমুদ্রপথে হজযাত্রী পাঠানোর কথা বিবেচনা করছে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থা, আকাশপথের অনিশ্চয়তা এবং ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির কারণে খরচ দ্বিগুণ হওয়া সত্ত্বেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের মধ্যে এবারও হজ পালনের প্রবল আগ্রহ দেখা গেছে। বিশেষ করে এশিয়ার মুসলিমদের দীর্ঘদিনের সঞ্চয় ও মানসিক প্রস্তুতি যুদ্ধের আশঙ্কাকেও স্তিমিত করতে পারেনি, যার ফলে চলতি বছরেও প্রায় ১৭ লাখ মুসল্লি হজে অংশ নিয়েছেন।
ইসলামের এই মৌলিক স্তম্ভটি পালনের জন্য ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশে প্রায় ৫৭ লাখ মানুষ অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছেন, যেখানে বার্ষিক কোটা মাত্র ২ লাখ ২০ হাজার হওয়ায় একেকজনকে প্রায় ৪০ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের কারণে এবার কিছু হজযাত্রীকে বিকল্প রুট ব্যবহার করতে হয়েছে এবং বিমান ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ায় ইন্দোনেশিয়া ও ভারতের মতো দেশগুলো হজযাত্রীদের অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বা বাড়তি ফি আদায় করেছে।
এদিকে ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে এসে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে হজের প্যাকেজ মূল্য প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৩ লাখ থেকে ৬ লাখ টাকায় ঠেকেছে, যার পেছনে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি এবং মক্কায় সস্তা আবাসন ভেঙে বিলাসবহুল হোটেল নির্মাণকে দায়ী করা হচ্ছে। এই চরম ব্যয়বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ গত কয়েক বছর ধরে নির্ধারিত কোটা পূরণ করতে পারেনি এবং কোটা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৫০০-তে নামানো হয়েছে; পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার এখন বিকল্প হিসেবে ওমরাহ এবং সমুদ্রপথে হজযাত্রী পাঠানোর কথা বিবেচনা করছে।

আপনার মতামত লিখুন