নেত্রকোণার মদন উপজেলায় এক স্বামী পরিত্যক্ত অসহায় নারীর দুই লাখ টাকা ধার নিয়ে ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জুতা ব্যবসায়ী মো. রাব্বুল মিয়ার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মোছা. রেখা আক্তার বারবুড়ি গ্রামের মো. ইস্কান্দার মিয়ার কন্যা এবং অভিযুক্ত রাব্বুল মিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের মুকালাস মিয়ার পুত্র, যিনি স্থানীয় মহিউদ্দিন মার্কেটে ব্যবসা করেন। পরিচিত হওয়ার সুবাদে মানবিক কারণে রেখা আক্তার তাকে এই টাকা ধার দিলেও নির্ধারিত সময়ে তা ফেরত না দিয়ে রাব্বুল নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ ও ভীতি প্রদর্শন শুরু করেন।
পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতাদের নজরে আনা হলে একাধিক সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাব্বুল মিয়া ৫০ হাজার টাকা ফেরত দিলেও অবশিষ্ট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি অমান্য করেন এবং উল্টো ভুক্তভোগীকে পুনরায় হুমকি দিতে থাকেন। রেখা আক্তার তার কষ্টার্জিত ন্যায্য পাওনা ফেরত ও নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এই পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী নারী নেত্রকোণা-৪ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবরের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সাথে তিনি স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের কাছে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন, যাতে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তার পাওনা আদায় এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
নেত্রকোণার মদন উপজেলায় এক স্বামী পরিত্যক্ত অসহায় নারীর দুই লাখ টাকা ধার নিয়ে ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জুতা ব্যবসায়ী মো. রাব্বুল মিয়ার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মোছা. রেখা আক্তার বারবুড়ি গ্রামের মো. ইস্কান্দার মিয়ার কন্যা এবং অভিযুক্ত রাব্বুল মিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের মুকালাস মিয়ার পুত্র, যিনি স্থানীয় মহিউদ্দিন মার্কেটে ব্যবসা করেন। পরিচিত হওয়ার সুবাদে মানবিক কারণে রেখা আক্তার তাকে এই টাকা ধার দিলেও নির্ধারিত সময়ে তা ফেরত না দিয়ে রাব্বুল নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ ও ভীতি প্রদর্শন শুরু করেন।
পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতাদের নজরে আনা হলে একাধিক সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাব্বুল মিয়া ৫০ হাজার টাকা ফেরত দিলেও অবশিষ্ট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি অমান্য করেন এবং উল্টো ভুক্তভোগীকে পুনরায় হুমকি দিতে থাকেন। রেখা আক্তার তার কষ্টার্জিত ন্যায্য পাওনা ফেরত ও নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এই পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী নারী নেত্রকোণা-৪ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবরের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সাথে তিনি স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের কাছে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন, যাতে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তার পাওনা আদায় এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।

আপনার মতামত লিখুন