উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদ, সাবেক মন্ত্রী মোশাররফ হোসেনসহ ১৬ জন সাবেক মন্ত্রী-সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং ঢাকার পল্লবীতে ধর্ষণের পর নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশু রামিসাসহ চার শিশুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে জাতীয় সংসদ।
রোববার (৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় তথা বাজেট অধিবেশনের শুরুতে এই শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে শোক প্রস্তাবটি উত্থাপন করার পর তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। এরপর প্রয়াত ব্যক্তিদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
জাতীয় সংসদে যেসকল সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের নামে শোক প্রস্তাব নেওয়া হয়েছে, তারা হলেন:
তোফায়েল আহমেদ, মোশাররফ হোসেন, এ কে এম রহমত উল্লাহ, দবিরুল ইসলাম, এ বি এম আনোয়ারুল হক, মোসলেম উদ্দিন এবং শফিক আহমেদ।
বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা ও অধ্যাপক এম এ মান্নান।
সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান শামসুল আবেদীন ও জি এম ফজলুল হক।
জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. কায়সার, আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক ও গোলাম সারোয়ার মিলন।
সিপিবির সাবেক সংসদ সদস্য মো. সামসুদ্দোহা এবং দশম সংসদের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আবদুল মতিন।
এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা বিশিষ্টজনদের মৃত্যুতেও সংসদ শোক প্রকাশ করেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী শিক্ষাবিদ অধ্যাপক দিলারা হাফিজ, জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ, কবি হেলাল হাফিজ, ছায়ানটের সভাপতি সন্জীদা খাতুন, প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী মুস্তাফা জামান আব্বাসী, লেখক ও বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দীন উমর, নজরুলসংগীতশিল্পী ডালিয়া নওশীন, বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা আব্দুল কুদ্দুস, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মা বেগম জেবুন্নেছা, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল বারী বাবু, সংঘরাজ ড. জ্ঞানীশ্রী মহাস্থবির এবং সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী।

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদ, সাবেক মন্ত্রী মোশাররফ হোসেনসহ ১৬ জন সাবেক মন্ত্রী-সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং ঢাকার পল্লবীতে ধর্ষণের পর নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশু রামিসাসহ চার শিশুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে জাতীয় সংসদ।
রোববার (৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় তথা বাজেট অধিবেশনের শুরুতে এই শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে শোক প্রস্তাবটি উত্থাপন করার পর তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। এরপর প্রয়াত ব্যক্তিদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
জাতীয় সংসদে যেসকল সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের নামে শোক প্রস্তাব নেওয়া হয়েছে, তারা হলেন:
তোফায়েল আহমেদ, মোশাররফ হোসেন, এ কে এম রহমত উল্লাহ, দবিরুল ইসলাম, এ বি এম আনোয়ারুল হক, মোসলেম উদ্দিন এবং শফিক আহমেদ।
বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা ও অধ্যাপক এম এ মান্নান।
সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান শামসুল আবেদীন ও জি এম ফজলুল হক।
জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. কায়সার, আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক ও গোলাম সারোয়ার মিলন।
সিপিবির সাবেক সংসদ সদস্য মো. সামসুদ্দোহা এবং দশম সংসদের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আবদুল মতিন।
এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা বিশিষ্টজনদের মৃত্যুতেও সংসদ শোক প্রকাশ করেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী শিক্ষাবিদ অধ্যাপক দিলারা হাফিজ, জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ, কবি হেলাল হাফিজ, ছায়ানটের সভাপতি সন্জীদা খাতুন, প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী মুস্তাফা জামান আব্বাসী, লেখক ও বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দীন উমর, নজরুলসংগীতশিল্পী ডালিয়া নওশীন, বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা আব্দুল কুদ্দুস, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মা বেগম জেবুন্নেছা, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল বারী বাবু, সংঘরাজ ড. জ্ঞানীশ্রী মহাস্থবির এবং সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী।

আপনার মতামত লিখুন