প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেছেন। শনিবার দুপুর ২টায় পিএমখালি ইউনিয়নের জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক পাতলী খাল পুনঃখননের কার্যক্রম শেষ করে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শনে আসেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সাথে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তাঁরা পার্কের ভেতরের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং এ সময় প্রধানমন্ত্রী খুবই উচ্ছ্বাসিত ছিলেন। বাসস সূত্রে জানা গেছে, এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার বিমানবন্দরে নেমে নিজেই গাড়ি চালিয়ে খাল খনন কর্মসূচির স্থলে যান এবং সেখানে তাঁর পাশের আসনে বসান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে। এরপর সেখান থেকে আবারও নিজে গাড়ি চালিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে আসেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে পুরো রাস্তাজুড়ে হাজার হাজার স্থানীয় সাধারণ জনগণ এবং দলীয় নেতাকর্মীরা সমবেত হন। তাঁরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফুল ছিটিয়ে ও হাত নেড়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং চারদিকে স্লোগান দিতে থাকেন। সমুদ্রসৈকতের জন্য পরিচিত কক্সবাজারে বহু পর্যটক গেলেও জেলার চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারায় অবস্থিত এই সাফারি পার্কটি অন্যতম একটি প্রধান আকর্ষণ হিসেবে বিবেচিত। এটি দেশের প্রথম সাফারি পার্ক, যা পাহাড়, বন, জলাধার আর উন্মুক্ত পরিবেশে বিচরণকারী শত শত প্রাণী নিয়ে এক অনন্য বন্য প্রাণীর জগৎ হিসেবে গড়ে উঠেছে।
এই সাফারি পার্কের ঐতিহাসিক পটভূমি থেকে জানা যায়, চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ১০৭ কিলোমিটার এবং কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার দূরত্বের এই পার্কটির যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে। তখন মাত্র ৪২ দশমিক ৫ হেক্টর বনভূমি নিয়ে এখানে একটি হরিণ প্রজননকেন্দ্র গড়ে তোলে সরকারের বন বিভাগ। পরবর্তীতে এই স্থানটিকে কেন্দ্র করেই দেশের প্রথম সাফারি পার্ক প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হয়।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেছেন। শনিবার দুপুর ২টায় পিএমখালি ইউনিয়নের জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক পাতলী খাল পুনঃখননের কার্যক্রম শেষ করে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শনে আসেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সাথে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তাঁরা পার্কের ভেতরের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং এ সময় প্রধানমন্ত্রী খুবই উচ্ছ্বাসিত ছিলেন। বাসস সূত্রে জানা গেছে, এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার বিমানবন্দরে নেমে নিজেই গাড়ি চালিয়ে খাল খনন কর্মসূচির স্থলে যান এবং সেখানে তাঁর পাশের আসনে বসান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে। এরপর সেখান থেকে আবারও নিজে গাড়ি চালিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে আসেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে পুরো রাস্তাজুড়ে হাজার হাজার স্থানীয় সাধারণ জনগণ এবং দলীয় নেতাকর্মীরা সমবেত হন। তাঁরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফুল ছিটিয়ে ও হাত নেড়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং চারদিকে স্লোগান দিতে থাকেন। সমুদ্রসৈকতের জন্য পরিচিত কক্সবাজারে বহু পর্যটক গেলেও জেলার চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারায় অবস্থিত এই সাফারি পার্কটি অন্যতম একটি প্রধান আকর্ষণ হিসেবে বিবেচিত। এটি দেশের প্রথম সাফারি পার্ক, যা পাহাড়, বন, জলাধার আর উন্মুক্ত পরিবেশে বিচরণকারী শত শত প্রাণী নিয়ে এক অনন্য বন্য প্রাণীর জগৎ হিসেবে গড়ে উঠেছে।
এই সাফারি পার্কের ঐতিহাসিক পটভূমি থেকে জানা যায়, চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ১০৭ কিলোমিটার এবং কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার দূরত্বের এই পার্কটির যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে। তখন মাত্র ৪২ দশমিক ৫ হেক্টর বনভূমি নিয়ে এখানে একটি হরিণ প্রজননকেন্দ্র গড়ে তোলে সরকারের বন বিভাগ। পরবর্তীতে এই স্থানটিকে কেন্দ্র করেই দেশের প্রথম সাফারি পার্ক প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন