বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ও দেশের অন্যতম সফল ফুটবল ব্যক্তিত্ব আশরাফউদ্দিন আহমেদ চুন্নুর চোখে ২০২৬ বিশ্বকাপ কেবল তারকাদের মেলা নয়, বরং কৌশল, নেতৃত্ব, অভিজ্ঞতা ও মানসিক দৃঢ়তার এক দীর্ঘ পরীক্ষা। সম্ভাব্য শিরোপা-দাবিদারদের শক্তি, দুর্বলতা এবং সাফল্যের চাবিকাঠি নিয়ে করা এক বিশ্লেষণে তিনি জানিয়েছেন, এবারের বিশ্বকাপে ফ্রান্স কিছুটা এগিয়ে থাকলেও আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও ইংল্যান্ডও সমানভাবে ট্রফি জয়ের ক্ষমতা রাখে। তার মতে, বিশ্বকাপ জিততে হলে শুধু তারকা খেলোয়াড় থাকলেই সাফল্য আসে না, বরং প্রয়োজন সঠিক কোচ, সঠিক পরিকল্পনা এবং প্রতিটি পজিশনে ভারসাম্যপূর্ণ একটি দল। সাবেক এই অধিনায়কের চোখে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে পরিপূর্ণ দল ফ্রান্স, যাদের গোলবারে মাইক মেনিয়াঁ, রক্ষণে উইলিয়াম সালিবা ও জুল কুন্দে, মাঝমাঠে অরেলিয়েন চুয়ামেনি ও এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা এবং আক্রমণভাগে কিলিয়ান এমবাপ্পে রয়েছেন। দলটির প্রতিটি বিভাগ শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি তাদের কোচ দিদিয়ের দেশঁ বিশ্বকাপের চাপ সামলাতে জানেন এবং খেলোয়াড়দের কাছ থেকে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স বের করে আনার অসাধারণ ক্ষমতার অধিকারী হওয়ায় ফ্রান্সকে তিনি শিরোপার অন্যতম প্রধান দাবিদার মনে করেন। অন্যদিকে, লিওনেল স্কালোনির নেতৃত্বে সংগঠিত ও পরিণত আর্জেন্টিনাকে তিনি বেশ ইতিবাচকভাবে দেখছেন, যেখানে লিওনেল মেসির অভিজ্ঞতা, এমিলিয়ানো মার্তিনেজের দৃঢ়তা এবং মাঝমাঠের কর্মক্ষমতার পাশাপাশি চাপের মুখে বড় ম্যাচে নিজেদের সেরাটা বের করার মানসিক দৃঢ়তা তাদের অন্যতম বড় শক্তি। ব্রাজিলের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রদ্রিগো এবং নতুন প্রজন্মের প্রতিভাবান ফুটবলাররা যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের চিত্র বদলে দিতে পারলেও বিশ্বকাপ জিততে হলে তাদের রক্ষণে শৃঙ্খলা এবং কৌশলগত পরিপক্বতা দেখাতে হবে। পাশাপাশি জুড বেলিংহ্যামের নেতৃত্বগুণ, ফিল ফোডেনের সৃজনশীলতা, বুকায়ো সাকার গতি এবং হ্যারি কেইনের গোল করার ক্ষমতাসম্পন্ন ইংল্যান্ডকেও অত্যন্ত সম্ভাবনাময় দল হিসেবে দেখছেন তিনি, তবে তাদের সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করবে কোচের কৌশল এবং নকআউট পর্বের চাপ সামলানোর দক্ষতার ওপর। আশরাফউদ্দিন আহমেদ চুন্নু মনে করেন, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড—এই চার দলের মধ্য থেকেই প্রধান শিরোপা-লড়াই গড়ে উঠবে এবং শেষ পর্যন্ত ট্রফি জিতবে সেই দল, যারা প্রতিভা, কৌশল, অভিজ্ঞতা এবং মানসিক দৃঢ়তার সর্বোত্তম সমন্বয় ঘটাতে পারবে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ও দেশের অন্যতম সফল ফুটবল ব্যক্তিত্ব আশরাফউদ্দিন আহমেদ চুন্নুর চোখে ২০২৬ বিশ্বকাপ কেবল তারকাদের মেলা নয়, বরং কৌশল, নেতৃত্ব, অভিজ্ঞতা ও মানসিক দৃঢ়তার এক দীর্ঘ পরীক্ষা। সম্ভাব্য শিরোপা-দাবিদারদের শক্তি, দুর্বলতা এবং সাফল্যের চাবিকাঠি নিয়ে করা এক বিশ্লেষণে তিনি জানিয়েছেন, এবারের বিশ্বকাপে ফ্রান্স কিছুটা এগিয়ে থাকলেও আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও ইংল্যান্ডও সমানভাবে ট্রফি জয়ের ক্ষমতা রাখে। তার মতে, বিশ্বকাপ জিততে হলে শুধু তারকা খেলোয়াড় থাকলেই সাফল্য আসে না, বরং প্রয়োজন সঠিক কোচ, সঠিক পরিকল্পনা এবং প্রতিটি পজিশনে ভারসাম্যপূর্ণ একটি দল। সাবেক এই অধিনায়কের চোখে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে পরিপূর্ণ দল ফ্রান্স, যাদের গোলবারে মাইক মেনিয়াঁ, রক্ষণে উইলিয়াম সালিবা ও জুল কুন্দে, মাঝমাঠে অরেলিয়েন চুয়ামেনি ও এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা এবং আক্রমণভাগে কিলিয়ান এমবাপ্পে রয়েছেন। দলটির প্রতিটি বিভাগ শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি তাদের কোচ দিদিয়ের দেশঁ বিশ্বকাপের চাপ সামলাতে জানেন এবং খেলোয়াড়দের কাছ থেকে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স বের করে আনার অসাধারণ ক্ষমতার অধিকারী হওয়ায় ফ্রান্সকে তিনি শিরোপার অন্যতম প্রধান দাবিদার মনে করেন। অন্যদিকে, লিওনেল স্কালোনির নেতৃত্বে সংগঠিত ও পরিণত আর্জেন্টিনাকে তিনি বেশ ইতিবাচকভাবে দেখছেন, যেখানে লিওনেল মেসির অভিজ্ঞতা, এমিলিয়ানো মার্তিনেজের দৃঢ়তা এবং মাঝমাঠের কর্মক্ষমতার পাশাপাশি চাপের মুখে বড় ম্যাচে নিজেদের সেরাটা বের করার মানসিক দৃঢ়তা তাদের অন্যতম বড় শক্তি। ব্রাজিলের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রদ্রিগো এবং নতুন প্রজন্মের প্রতিভাবান ফুটবলাররা যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের চিত্র বদলে দিতে পারলেও বিশ্বকাপ জিততে হলে তাদের রক্ষণে শৃঙ্খলা এবং কৌশলগত পরিপক্বতা দেখাতে হবে। পাশাপাশি জুড বেলিংহ্যামের নেতৃত্বগুণ, ফিল ফোডেনের সৃজনশীলতা, বুকায়ো সাকার গতি এবং হ্যারি কেইনের গোল করার ক্ষমতাসম্পন্ন ইংল্যান্ডকেও অত্যন্ত সম্ভাবনাময় দল হিসেবে দেখছেন তিনি, তবে তাদের সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করবে কোচের কৌশল এবং নকআউট পর্বের চাপ সামলানোর দক্ষতার ওপর। আশরাফউদ্দিন আহমেদ চুন্নু মনে করেন, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড—এই চার দলের মধ্য থেকেই প্রধান শিরোপা-লড়াই গড়ে উঠবে এবং শেষ পর্যন্ত ট্রফি জিতবে সেই দল, যারা প্রতিভা, কৌশল, অভিজ্ঞতা এবং মানসিক দৃঢ়তার সর্বোত্তম সমন্বয় ঘটাতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন