দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে প্রথমে স্থিতিশীল এবং পরে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাওয়াই সরকারের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একই সাথে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল যাতে সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছায়, এবারের বাজেটে সে বিষয়টিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সোমবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। ওই বৈঠকে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, এই টাকাটা পাওয়ার পর মানুষের জীবনের পরিবর্তন কতটুকু আসছে তা জানা ও পরিমাপ করা প্রয়োজন। যদি কেউ পিছিয়ে পড়ে, তবে কেন পিছিয়ে গেল তাও বিশ্লেষণ করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়।
বাজেট বাস্তবায়নে অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে স্থিতিশীল এবং সেখান থেকে সমৃদ্ধির অর্থনীতিতে যাওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত পরিষ্কার। প্রথমদিকে ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে এবং অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ালে সমৃদ্ধির পথে যাওয়া সম্ভব হবে।
তিনি আরও দাবি করেন, এর আগে কোনো বাজেটে এভাবে স্পষ্ট করে নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর নাম ধরে ধরে কার জন্য কী বরাদ্দ ও পরিবর্তনের উদ্যোগ, তা উল্লেখ করা হয়নি। সমাজের প্রত্যেক নাগরিককে মাথায় রেখেই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।
পুরো বিষয়টিকে 'অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ' হিসেবে আখ্যায়িত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি নির্দিষ্ট গ্রুপ সুবিধা পাবে, সেখানে পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি হবে আর বাকি দেশের মানুষ কোনো সুযোগ বা সুফল পাবে না—তা গণতান্ত্রিক দেশের অর্থনীতির জন্য কাম্য নয়। সে কারণেই সরকার এই ইতিবাচক পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে প্রথমে স্থিতিশীল এবং পরে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাওয়াই সরকারের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একই সাথে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল যাতে সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছায়, এবারের বাজেটে সে বিষয়টিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সোমবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। ওই বৈঠকে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, এই টাকাটা পাওয়ার পর মানুষের জীবনের পরিবর্তন কতটুকু আসছে তা জানা ও পরিমাপ করা প্রয়োজন। যদি কেউ পিছিয়ে পড়ে, তবে কেন পিছিয়ে গেল তাও বিশ্লেষণ করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়।
বাজেট বাস্তবায়নে অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে স্থিতিশীল এবং সেখান থেকে সমৃদ্ধির অর্থনীতিতে যাওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত পরিষ্কার। প্রথমদিকে ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে এবং অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ালে সমৃদ্ধির পথে যাওয়া সম্ভব হবে।
তিনি আরও দাবি করেন, এর আগে কোনো বাজেটে এভাবে স্পষ্ট করে নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর নাম ধরে ধরে কার জন্য কী বরাদ্দ ও পরিবর্তনের উদ্যোগ, তা উল্লেখ করা হয়নি। সমাজের প্রত্যেক নাগরিককে মাথায় রেখেই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।
পুরো বিষয়টিকে 'অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ' হিসেবে আখ্যায়িত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি নির্দিষ্ট গ্রুপ সুবিধা পাবে, সেখানে পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি হবে আর বাকি দেশের মানুষ কোনো সুযোগ বা সুফল পাবে না—তা গণতান্ত্রিক দেশের অর্থনীতির জন্য কাম্য নয়। সে কারণেই সরকার এই ইতিবাচক পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছে।

আপনার মতামত লিখুন