ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক সিট বণ্টন নীতিমালা সংস্কারের উদ্যোগের বিরোধিতা এবং শাহবাগ থানায় হামলার ঘটনায় জড়িত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলামের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। সোমবার সন্ধ্যায় উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় ছাত্রশিবিরের ঢাবি শাখার সভাপতি মুহা. মহিউদ্দিন খান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মু. সাজ্জাদ হোসাইন খানের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতারা এই দাবি জানান।
উপাচার্যের সাথে এই মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং উপস্থিত ছিলেন। সভায় শিবির নেতারা উল্লেখ করেন, প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির খসড়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনার্সে দুই বছর এবং মাস্টার্সে এক বছর রি-অ্যাডমিশনসহ আবাসিক সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগটি কার্যকর হলে হলে একটি নির্দিষ্ট ছাত্রসংগঠনের হলকেন্দ্রিক আধিপত্য বিস্তারের সুযোগ তৈরি হবে।
নেতারা জানান, বর্তমানে হলে সাতটি নিয়মিত ব্যাচ অবস্থান করছে এবং নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে একসঙ্গে ১০টি ব্যাচ হলে অবস্থান করবে, যা নবীন শিক্ষার্থীদের সিট পাওয়ার সুযোগ আরও সংকুচিত করবে। তাদের দাবি অনুযায়ী, জুলাইয়ের পর কঠোর অবস্থানের কারণে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের অধিকাংশ শিক্ষার্থী হলে সিট পেলেও বর্তমানে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের মাত্র ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী আবাসিক সুবিধা পাচ্ছেন।
স্মারকলিপিতে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে পূর্বের আবাসিক সিট বণ্টন নীতিমালা বহাল রাখা, ১০ ও ১১ নম্বর ধারা অক্ষুণ্ণ রাখা, রি-অ্যাডমিশনভিত্তিক আবাসিক সুবিধা সীমিত করা এবং নবীন শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি নীতিমালা সংশোধনের ক্ষেত্রে অংশীজনদের মতামত গ্রহণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে অনলাইন জরিপ পরিচালনারও প্রস্তাব দেওয়া হয়।
একই সাথে শিবির নেতারা শাহবাগ থানায় ডাকসুর নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনায় তদন্তের নামে সময়ক্ষেপণের অভিযোগ তুলে দ্রুত দোষীদের বিচারের দাবি জানান। এছাড়া সম্প্রতি জগন্নাথ হলে এক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তারা।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক সিট বণ্টন নীতিমালা সংস্কারের উদ্যোগের বিরোধিতা এবং শাহবাগ থানায় হামলার ঘটনায় জড়িত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলামের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। সোমবার সন্ধ্যায় উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় ছাত্রশিবিরের ঢাবি শাখার সভাপতি মুহা. মহিউদ্দিন খান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মু. সাজ্জাদ হোসাইন খানের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতারা এই দাবি জানান।
উপাচার্যের সাথে এই মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং উপস্থিত ছিলেন। সভায় শিবির নেতারা উল্লেখ করেন, প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির খসড়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনার্সে দুই বছর এবং মাস্টার্সে এক বছর রি-অ্যাডমিশনসহ আবাসিক সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগটি কার্যকর হলে হলে একটি নির্দিষ্ট ছাত্রসংগঠনের হলকেন্দ্রিক আধিপত্য বিস্তারের সুযোগ তৈরি হবে।
নেতারা জানান, বর্তমানে হলে সাতটি নিয়মিত ব্যাচ অবস্থান করছে এবং নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে একসঙ্গে ১০টি ব্যাচ হলে অবস্থান করবে, যা নবীন শিক্ষার্থীদের সিট পাওয়ার সুযোগ আরও সংকুচিত করবে। তাদের দাবি অনুযায়ী, জুলাইয়ের পর কঠোর অবস্থানের কারণে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের অধিকাংশ শিক্ষার্থী হলে সিট পেলেও বর্তমানে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের মাত্র ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী আবাসিক সুবিধা পাচ্ছেন।
স্মারকলিপিতে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে পূর্বের আবাসিক সিট বণ্টন নীতিমালা বহাল রাখা, ১০ ও ১১ নম্বর ধারা অক্ষুণ্ণ রাখা, রি-অ্যাডমিশনভিত্তিক আবাসিক সুবিধা সীমিত করা এবং নবীন শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি নীতিমালা সংশোধনের ক্ষেত্রে অংশীজনদের মতামত গ্রহণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে অনলাইন জরিপ পরিচালনারও প্রস্তাব দেওয়া হয়।
একই সাথে শিবির নেতারা শাহবাগ থানায় ডাকসুর নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনায় তদন্তের নামে সময়ক্ষেপণের অভিযোগ তুলে দ্রুত দোষীদের বিচারের দাবি জানান। এছাড়া সম্প্রতি জগন্নাথ হলে এক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন