বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের অষ্টম ম্যাচেও পূর্ণ পয়েন্ট তুলতে ব্যর্থ হয়েছে আফ্রিকান জায়ান্ট মিশর। ১৯৩৪, ১৯৯০, ২০১৮ এবং ২০২৬—এই চারটি বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত আটটি ম্যাচ খেলে একটিতেও জয়ের মুখ দেখেনি দলটি। ২০২৬ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচে সেই আক্ষেপ ঘোচানোর সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তা হাতছাড়া হয়েছে।
ম্যাচের প্রথমার্ধে দুর্দান্ত পারফর্ম করে বেলজিয়ামকে হারিয়ে দেওয়ার জল্পনা তৈরি করেছিল মিশর। বল দখলে বেলজিয়াম দাপট দেখালেও এবং গোলে বেশি শট নিলেও ২০ মিনিটের মাথায় মোহাম্মদ সালাহর চমৎকার পাস থেকে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিখুঁত শটে গোল করেন ইমাম আশুর। তারকা গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়াকে পরাস্ত করে করা এই দৃষ্টিনন্দন গোলের সুবাদে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় মিশর।
তবে ম্যাচের ৬৬তম মিনিটে বড় ধাক্কা খায় মিশরীয় শিবির। বেলজিয়ামের থমাস মিউনিয়ারের একটি নিচু ক্রস ঠেকাতে গিয়ে বদলি হিসেবে নামা রোমেলু লুকাকুর তীব্র চাপের মুখে নিজেদের জালে বল পাঠিয়ে দেন মিশরের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানী। এই আত্মঘাতী গোলের কারণে ম্যাচটি ১-১ সমতায় ফিরে আসে এবং শেষ মুহূর্তে বেলজিয়ামের প্রচণ্ড চাপ সামলে কোনো রকমে হার এড়ায় মিশর।
যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে থাকা বিপুল সমর্থকের সামনে মিশর তাদের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। এর আগে বিশ্বকাপে খেলা নিজেদের সাতটি ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতেই হারের মুখ দেখেছিল তারা এবং বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছিল।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের অষ্টম ম্যাচেও পূর্ণ পয়েন্ট তুলতে ব্যর্থ হয়েছে আফ্রিকান জায়ান্ট মিশর। ১৯৩৪, ১৯৯০, ২০১৮ এবং ২০২৬—এই চারটি বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত আটটি ম্যাচ খেলে একটিতেও জয়ের মুখ দেখেনি দলটি। ২০২৬ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচে সেই আক্ষেপ ঘোচানোর সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তা হাতছাড়া হয়েছে।
ম্যাচের প্রথমার্ধে দুর্দান্ত পারফর্ম করে বেলজিয়ামকে হারিয়ে দেওয়ার জল্পনা তৈরি করেছিল মিশর। বল দখলে বেলজিয়াম দাপট দেখালেও এবং গোলে বেশি শট নিলেও ২০ মিনিটের মাথায় মোহাম্মদ সালাহর চমৎকার পাস থেকে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিখুঁত শটে গোল করেন ইমাম আশুর। তারকা গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়াকে পরাস্ত করে করা এই দৃষ্টিনন্দন গোলের সুবাদে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় মিশর।
তবে ম্যাচের ৬৬তম মিনিটে বড় ধাক্কা খায় মিশরীয় শিবির। বেলজিয়ামের থমাস মিউনিয়ারের একটি নিচু ক্রস ঠেকাতে গিয়ে বদলি হিসেবে নামা রোমেলু লুকাকুর তীব্র চাপের মুখে নিজেদের জালে বল পাঠিয়ে দেন মিশরের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানী। এই আত্মঘাতী গোলের কারণে ম্যাচটি ১-১ সমতায় ফিরে আসে এবং শেষ মুহূর্তে বেলজিয়ামের প্রচণ্ড চাপ সামলে কোনো রকমে হার এড়ায় মিশর।
যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলে থাকা বিপুল সমর্থকের সামনে মিশর তাদের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। এর আগে বিশ্বকাপে খেলা নিজেদের সাতটি ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতেই হারের মুখ দেখেছিল তারা এবং বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন