ইউরোপের অন্যতম পরাশক্তি ও বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট দল স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে ফুটবল বিশ্বের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। তবে মাঠের সেই বীরত্বগাথা শেষে সিয়াটলের মাঠের মাঝখানে দাঁড়িয়ে দু’হাতে মুখ ঢেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই অতন্দ্র প্রহরী, যার নেপথ্যে ছিল এক গভীর ব্যক্তিগত বেদনা।
ম্যাচ শেষে আবেগঘন কণ্ঠে ভোজিনিয়া জানান, তিনি মূলত দাদা-দাদির কাছে বড় হয়েছেন, যারা কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। অন্যদিকে অর্থনৈতিক সংকট এবং ভিসা জটিলতার কারণে তার মা-ও সময়মতো টাকা পরিশোধ করতে না পারায় মাঠে বসে ছেলের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি প্রত্যক্ষ করতে পারেননি।
পুরো ম্যাচে স্পেনের নিশ্চিত সাতটি গোল দুর্দান্তভাবে সেভ করে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখিয়েছেন এই গোলরক্ষক। ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপ ইতিহাসে ৪০ বছর বা তার বেশি বয়সী কোনো গোলরক্ষকের এক ম্যাচে এটি অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে।
ভোজিনিয়ার এই হৃদয়স্পর্শী গল্পটি পুরো ফুটবল বিশ্বকে নাড়া দিয়েছে। সাবেক স্কটিশ উইঙ্গার ও ফুটবল বিশ্লেষক প্যাট নেভিন তার এই অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ম্যাচ শেষে মাঠের সব ক্যামেরা ছিল ভোজিনিয়ার দিকেই এবং সতীর্থরা তাকেই ম্যাচের আসল নায়ক হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছিলেন।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
ইউরোপের অন্যতম পরাশক্তি ও বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট দল স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে ফুটবল বিশ্বের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। তবে মাঠের সেই বীরত্বগাথা শেষে সিয়াটলের মাঠের মাঝখানে দাঁড়িয়ে দু’হাতে মুখ ঢেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই অতন্দ্র প্রহরী, যার নেপথ্যে ছিল এক গভীর ব্যক্তিগত বেদনা।
ম্যাচ শেষে আবেগঘন কণ্ঠে ভোজিনিয়া জানান, তিনি মূলত দাদা-দাদির কাছে বড় হয়েছেন, যারা কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। অন্যদিকে অর্থনৈতিক সংকট এবং ভিসা জটিলতার কারণে তার মা-ও সময়মতো টাকা পরিশোধ করতে না পারায় মাঠে বসে ছেলের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি প্রত্যক্ষ করতে পারেননি।
পুরো ম্যাচে স্পেনের নিশ্চিত সাতটি গোল দুর্দান্তভাবে সেভ করে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখিয়েছেন এই গোলরক্ষক। ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপ ইতিহাসে ৪০ বছর বা তার বেশি বয়সী কোনো গোলরক্ষকের এক ম্যাচে এটি অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে।
ভোজিনিয়ার এই হৃদয়স্পর্শী গল্পটি পুরো ফুটবল বিশ্বকে নাড়া দিয়েছে। সাবেক স্কটিশ উইঙ্গার ও ফুটবল বিশ্লেষক প্যাট নেভিন তার এই অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ম্যাচ শেষে মাঠের সব ক্যামেরা ছিল ভোজিনিয়ার দিকেই এবং সতীর্থরা তাকেই ম্যাচের আসল নায়ক হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন