২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে প্রথমার্ধের লড়াই শেষে ১-১ গোলের সমতায় থেকে বিরতিতে গেছে ইরান ও নিউজিল্যান্ড। ১৫ জুন অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের বাকি তিনটি ম্যাচের কোনোটিতেই (স্পেন, বেলজিয়াম ও উরুগুয়ের ম্যাচ) যেমন কোনো ফল আসেনি, ইরান-নিউজিল্যান্ডের ম্যাচটিও প্রথমার্ধ শেষে সেই একইরকম ড্রয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে নিউজিল্যান্ডের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে ইরান। তবে খেলার ধারার বিপরীতে ম্যাচের মাত্র ৫ মিনিটের মাথায় গোল করে বসেন কিউই ফরোয়ার্ড এলিজাহ জাস্ট। তার এই আকস্মিক গোলে ম্যাচে দারুণ মোমেন্টাম পেয়ে যায় নিউজিল্যান্ড এবং তারা ইরানের গোলমুখে একের পর এক শট নিতে থাকে।
পিছিয়ে পড়েও হতোদ্যম না হয়ে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে ইরান। ১৬তম মিনিটে তারকা স্ট্রাইকার মেহদি তারেমি দারুণ গতিতে বল নিয়ে নিউজিল্যান্ডের গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে শট নিলেও তা দুর্ভাগ্যবশত বারপোস্টে লেগে ফিরে আসে। অবশেষে ম্যাচের ৩২ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় এশিয়ান পরাশক্তিরা। বক্সের ভেতর মোগানলুর একটি শট ডিফ্লেক্ট হয়ে রামিন রেজাইয়ানের কাছে এলে তিনি নিউজিল্যান্ডের গোলরক্ষক ম্যাক্স ক্রকম্বকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান।
ম্যাচের ৪৫ মিনিটে একটি ফ্রি কিক থেকে হেডের সাহায্যে ইরান আবারও বল জালে জড়িয়েছিল। তবে রেফারি অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করায় লিড নেওয়া সম্ভব হয়নি দলটির।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সোফি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হলেও গ্যালারিতে ইরানি সমর্থকদের উপস্থিতি ও কোলাহল ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে ৩২ মিনিটে রামিনের সমতাসূচক গোলের পর তাদের বাঁধভাঙা উল্লাসে মুহূর্তের জন্য মনে হচ্ছিল খেলা লস অ্যাঞ্জেলেসে নয়, বরং তেহরানের আজাদি স্টেডিয়ামে হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে প্রথমার্ধের লড়াই শেষে ১-১ গোলের সমতায় থেকে বিরতিতে গেছে ইরান ও নিউজিল্যান্ড। ১৫ জুন অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের বাকি তিনটি ম্যাচের কোনোটিতেই (স্পেন, বেলজিয়াম ও উরুগুয়ের ম্যাচ) যেমন কোনো ফল আসেনি, ইরান-নিউজিল্যান্ডের ম্যাচটিও প্রথমার্ধ শেষে সেই একইরকম ড্রয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে নিউজিল্যান্ডের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করে ইরান। তবে খেলার ধারার বিপরীতে ম্যাচের মাত্র ৫ মিনিটের মাথায় গোল করে বসেন কিউই ফরোয়ার্ড এলিজাহ জাস্ট। তার এই আকস্মিক গোলে ম্যাচে দারুণ মোমেন্টাম পেয়ে যায় নিউজিল্যান্ড এবং তারা ইরানের গোলমুখে একের পর এক শট নিতে থাকে।
পিছিয়ে পড়েও হতোদ্যম না হয়ে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে ইরান। ১৬তম মিনিটে তারকা স্ট্রাইকার মেহদি তারেমি দারুণ গতিতে বল নিয়ে নিউজিল্যান্ডের গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে শট নিলেও তা দুর্ভাগ্যবশত বারপোস্টে লেগে ফিরে আসে। অবশেষে ম্যাচের ৩২ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় এশিয়ান পরাশক্তিরা। বক্সের ভেতর মোগানলুর একটি শট ডিফ্লেক্ট হয়ে রামিন রেজাইয়ানের কাছে এলে তিনি নিউজিল্যান্ডের গোলরক্ষক ম্যাক্স ক্রকম্বকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান।
ম্যাচের ৪৫ মিনিটে একটি ফ্রি কিক থেকে হেডের সাহায্যে ইরান আবারও বল জালে জড়িয়েছিল। তবে রেফারি অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করায় লিড নেওয়া সম্ভব হয়নি দলটির।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সোফি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হলেও গ্যালারিতে ইরানি সমর্থকদের উপস্থিতি ও কোলাহল ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে ৩২ মিনিটে রামিনের সমতাসূচক গোলের পর তাদের বাঁধভাঙা উল্লাসে মুহূর্তের জন্য মনে হচ্ছিল খেলা লস অ্যাঞ্জেলেসে নয়, বরং তেহরানের আজাদি স্টেডিয়ামে হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন