সংসদ সদস্যরা বলেছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট দেশে ধনী-গরিব বৈষম্য কমাতে সহায়ক হবে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর দৃঢ় অঙ্গীকার থেকেই সরকার এই বাজেট প্রণয়ন করেছে বলে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা এই অভিমত ব্যক্ত করেন। গত ১১ জুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ৯ লাখ ৩৮ কোটি টাকার জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেন, যেখানে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বাজেটের প্রশংসা করে বলেন, এটি দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বার্থ সুরক্ষার লক্ষ্যে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত পরিকল্পনার আলোকে প্রণয়ন করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যও একে ‘সুচিন্তিত বাজেট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং এই বাজেট সুশাসন, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে। আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার করে ‘বেগমপাড়া’ গড়ে তোলা হলেও সংসদের বিরোধী দল এ নিয়ে যথাযথ সমালোচনা করেনি।
সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. শওকাতুল ইসলাম জানান, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষকে স্বস্তি দেবে। চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ আশা প্রকাশ করেন, এই বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে বর্তমান অর্থনৈতিক স্থবিরতা কাটিয়ে দেশ শক্তিশালী অর্থনীতির পথে এগিয়ে যাবে।
অন্যদিকে, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বাজেটের সমালোচনা করে বলেন, বাজেটে প্রকৃত ঘাটতির পরিমাণ ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা এবং ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলে ঘাটতি আরও বাড়তে পারে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আজিজুর রহমান বলেন, বাজেটটি আগের তুলনায় প্রায় ৩৮ শতাংশ বড় হওয়ায় এটি কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। দিনভর এই আলোচনায় সরকারি, বিরোধী ও স্বতন্ত্র আসনের বিভিন্ন সংসদ সদস্য অংশ নেন।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
সংসদ সদস্যরা বলেছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট দেশে ধনী-গরিব বৈষম্য কমাতে সহায়ক হবে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর দৃঢ় অঙ্গীকার থেকেই সরকার এই বাজেট প্রণয়ন করেছে বলে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা এই অভিমত ব্যক্ত করেন। গত ১১ জুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ৯ লাখ ৩৮ কোটি টাকার জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেন, যেখানে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বাজেটের প্রশংসা করে বলেন, এটি দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বার্থ সুরক্ষার লক্ষ্যে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত পরিকল্পনার আলোকে প্রণয়ন করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যও একে ‘সুচিন্তিত বাজেট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং এই বাজেট সুশাসন, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে। আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার করে ‘বেগমপাড়া’ গড়ে তোলা হলেও সংসদের বিরোধী দল এ নিয়ে যথাযথ সমালোচনা করেনি।
সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. শওকাতুল ইসলাম জানান, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষকে স্বস্তি দেবে। চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ আশা প্রকাশ করেন, এই বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে বর্তমান অর্থনৈতিক স্থবিরতা কাটিয়ে দেশ শক্তিশালী অর্থনীতির পথে এগিয়ে যাবে।
অন্যদিকে, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বাজেটের সমালোচনা করে বলেন, বাজেটে প্রকৃত ঘাটতির পরিমাণ ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা এবং ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলে ঘাটতি আরও বাড়তে পারে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আজিজুর রহমান বলেন, বাজেটটি আগের তুলনায় প্রায় ৩৮ শতাংশ বড় হওয়ায় এটি কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। দিনভর এই আলোচনায় সরকারি, বিরোধী ও স্বতন্ত্র আসনের বিভিন্ন সংসদ সদস্য অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন