মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নাম ব্যবহার করে বাংলাদেশ পুলিশে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মো. এরশাদ আকন্দ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের অর্জুনা বাজার এলাকায় শাহবাগ থানা ও ভূঞাপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. এরশাদ আকন্দ উপজেলার অর্জুনা বাজার এলাকার ফটিক আকন্দের ছেলে।
এর আগে এ ঘটনায় বুধবার রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানায় প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন টাঙ্গাইলের নাগরপুরের খাষ ঘুনিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. রাজা মণ্ডল। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই আব্দুল গাফফার হিমেল জানান, এরশাদ আকন্দ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে প্রতারণা করে আসছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে থাকা আরও প্রতারণার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, রাজা মণ্ডলের এইচএসসি পড়ুয়া ছেলে নাসির মণ্ডলকে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ১২ লাখ টাকা দাবি করেন অভিযুক্ত এরশাদ আকন্দ। পরবর্তীতে গত ৪ মে রাজধানীর শাহবাগ এলাকার একটি হোটেলে রাজা মণ্ডলের কাছ থেকে নগদ ৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা গ্রহণ করেন তিনি এবং বাকি অর্থ চাকরি হওয়ার পর পরিশোধ করার কথা ছিল। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও চাকরির ব্যবস্থা করতে না পারায় ভুক্তভোগী টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত ব্যক্তি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গ্রেফতারকৃত এরশাদ আকন্দ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে শুক্রবার আদালতে প্রেরণ করা হবে এবং এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নাম ব্যবহার করে বাংলাদেশ পুলিশে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মো. এরশাদ আকন্দ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের অর্জুনা বাজার এলাকায় শাহবাগ থানা ও ভূঞাপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. এরশাদ আকন্দ উপজেলার অর্জুনা বাজার এলাকার ফটিক আকন্দের ছেলে।
এর আগে এ ঘটনায় বুধবার রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানায় প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন টাঙ্গাইলের নাগরপুরের খাষ ঘুনিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. রাজা মণ্ডল। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই আব্দুল গাফফার হিমেল জানান, এরশাদ আকন্দ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে প্রতারণা করে আসছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে থাকা আরও প্রতারণার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, রাজা মণ্ডলের এইচএসসি পড়ুয়া ছেলে নাসির মণ্ডলকে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ১২ লাখ টাকা দাবি করেন অভিযুক্ত এরশাদ আকন্দ। পরবর্তীতে গত ৪ মে রাজধানীর শাহবাগ এলাকার একটি হোটেলে রাজা মণ্ডলের কাছ থেকে নগদ ৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা গ্রহণ করেন তিনি এবং বাকি অর্থ চাকরি হওয়ার পর পরিশোধ করার কথা ছিল। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও চাকরির ব্যবস্থা করতে না পারায় ভুক্তভোগী টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত ব্যক্তি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গ্রেফতারকৃত এরশাদ আকন্দ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে শুক্রবার আদালতে প্রেরণ করা হবে এবং এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন