মাগুরায় অর্থের অভাবে স্ত্রীর অগোচরে নিজের দেড় মাসের সন্তানকে বিক্রি করে দেওয়ার পর অবশেষে পুলিশের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার শিশুটিকে ফিরে পেয়েছেন মা তানজিলা খাতুন। ঘটনাটি ঘটেছে মাগুরার সদর উপজেলার বেরইল পলিতা ইউনিয়নের রামদেরগাতী গ্রামে।
জানা গেছে, গত ২৭ মে মাত্র ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে নবজাতক কন্যাশিশু টুকটুকিকে মাগুরা সদর উপজেলার দক্ষিণ বীরপুর এলাকার শাহাবুর ও মনিরা খাতুন দম্পতির কাছে তুলে দেন বাবা সাগর। তবে ঘটনার পর পুরো বিষয়টি গোপন রেখে স্ত্রীকে বিভ্রান্ত করতে তিনি গল্প ফেঁদে বলেন যে, ‘জিন-পরি’ শিশুটিকে নিয়ে গেছে। এমনকি জিন তাড়ানোর নামে এক ফকিরকে বাড়িতে এনে ঝাড়ফুঁকও করান তিনি।
শিশুটিকে বিছানায় না পেয়ে দিশেহারা মা তানজিলা খাতুন বাড়ির পাশের শত্রুজিতপুর পুলিশ ক্যাম্পে বিষয়টি জানান। এরপর মাগুরা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেনের নির্দেশনায় তদন্তে নামে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় সূত্রের সহায়তায় বৃহস্পতিবার মাগুরা সদর থানা পুলিশ ক্রেতা দম্পতির বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে সন্ধ্যায় তার মায়ের কোলে তুলে দেয়।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শিশুটির বাবা সাগর হোসেন, ক্রেতা দম্পতি এবং সুজয় নামে মাগুরা সদর হাসপাতালের এক কর্মচারীকে আটক করা হয়েছে। মাগুরা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত ৪ জনকে আটক করা হয়েছে এবং এর সঙ্গে অন্য কোনো পক্ষ জড়িত আছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
মাগুরায় অর্থের অভাবে স্ত্রীর অগোচরে নিজের দেড় মাসের সন্তানকে বিক্রি করে দেওয়ার পর অবশেষে পুলিশের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার শিশুটিকে ফিরে পেয়েছেন মা তানজিলা খাতুন। ঘটনাটি ঘটেছে মাগুরার সদর উপজেলার বেরইল পলিতা ইউনিয়নের রামদেরগাতী গ্রামে।
জানা গেছে, গত ২৭ মে মাত্র ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে নবজাতক কন্যাশিশু টুকটুকিকে মাগুরা সদর উপজেলার দক্ষিণ বীরপুর এলাকার শাহাবুর ও মনিরা খাতুন দম্পতির কাছে তুলে দেন বাবা সাগর। তবে ঘটনার পর পুরো বিষয়টি গোপন রেখে স্ত্রীকে বিভ্রান্ত করতে তিনি গল্প ফেঁদে বলেন যে, ‘জিন-পরি’ শিশুটিকে নিয়ে গেছে। এমনকি জিন তাড়ানোর নামে এক ফকিরকে বাড়িতে এনে ঝাড়ফুঁকও করান তিনি।
শিশুটিকে বিছানায় না পেয়ে দিশেহারা মা তানজিলা খাতুন বাড়ির পাশের শত্রুজিতপুর পুলিশ ক্যাম্পে বিষয়টি জানান। এরপর মাগুরা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেনের নির্দেশনায় তদন্তে নামে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় সূত্রের সহায়তায় বৃহস্পতিবার মাগুরা সদর থানা পুলিশ ক্রেতা দম্পতির বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে সন্ধ্যায় তার মায়ের কোলে তুলে দেয়।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শিশুটির বাবা সাগর হোসেন, ক্রেতা দম্পতি এবং সুজয় নামে মাগুরা সদর হাসপাতালের এক কর্মচারীকে আটক করা হয়েছে। মাগুরা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত ৪ জনকে আটক করা হয়েছে এবং এর সঙ্গে অন্য কোনো পক্ষ জড়িত আছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন