সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে প্রবীণ এই রাজনীতিকের বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনসহ দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
রাজনৈতিক ও পেশাগত জীবন:
সংসদ সদস্য: অ্যাডভোকেট হারুন অর রশীদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসন থেকে মোট পাঁচবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে ১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন।
মন্ত্রিত্ব ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব: রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই নেতা বিভিন্ন মেয়াদে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সভাপতির দায়িত্বও সামলেছেন।
দলীয় পদ: দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এবং যুগ্ম মহাসচিবের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে স্থানীয় রাজনীতিতে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেন।
পেশা: রাজনীতির পাশাপাশি তিনি পেশাগত জীবনে একজন আইনজীবী ছিলেন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালত অঙ্গন থেকেই তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়েছিল।
মরহুমের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই ইউনিয়নে। পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, অ্যাডভোকেট হারুন অর রশিদের জানাজা ও দাফনের সময়সূচি পরবর্তীতে সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে প্রবীণ এই রাজনীতিকের বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনসহ দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
রাজনৈতিক ও পেশাগত জীবন:
সংসদ সদস্য: অ্যাডভোকেট হারুন অর রশীদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসন থেকে মোট পাঁচবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে ১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন।
মন্ত্রিত্ব ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব: রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই নেতা বিভিন্ন মেয়াদে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সভাপতির দায়িত্বও সামলেছেন।
দলীয় পদ: দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এবং যুগ্ম মহাসচিবের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে স্থানীয় রাজনীতিতে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেন।
পেশা: রাজনীতির পাশাপাশি তিনি পেশাগত জীবনে একজন আইনজীবী ছিলেন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালত অঙ্গন থেকেই তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়েছিল।
মরহুমের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই ইউনিয়নে। পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, অ্যাডভোকেট হারুন অর রশিদের জানাজা ও দাফনের সময়সূচি পরবর্তীতে সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন