সমঝোতা স্মারকের অংশ হিসেবে লেবানন-সংক্রান্ত শর্ত মেনে চলতে ইসরাইলকে কঠোর বার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক মাইক হানা জানিয়েছেন, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এ বিষয়ে ইসরাইলকে খুবই কঠোর ভাষায় সতর্ক করেছেন। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা করেছেন, বিশেষ করে যখন তিনি আশঙ্কা করেছিলেন যে লেবাননে ইসরাইলের কার্যকলাপ এই সমঝোতা স্মারকটি পাস করানোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।
এই চুক্তিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী ইসরাইলপন্থি লবি ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা করেছে এবং এটি মার্কিন কংগ্রেসের বহু ইসরাইল-সমর্থক সদস্যের মধ্যে প্রশ্ন ও অসন্তোষ তৈরি করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগে লেবাননকে আলাদা বিষয় হিসেবে ইঙ্গিত দিলেও এই সমঝোতা স্মারকে খুব স্পষ্টভাবে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে ইসরাইলকে অবশ্যই লেবাননে কোনো কার্যকলাপ না চালানোর শর্ত মেনে চলতে হবে এবং ট্রাম্প প্রশাসন সব সমালোচনা সত্ত্বেও নিজেদের এই অবস্থানে অনড় রয়েছে।
এদিকে চূড়ান্ত চুক্তি কার্যকর হতে এখনও দুই মাস সময় বাকি থাকায় ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু চান না চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হোক। এক ইসরাইলি কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, নেতানিয়াহুর লক্ষ্য হলো চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়বস্তু নিজের অবস্থানের অনুকূলে নিয়ে আসা এবং এজন্য তিনি নিজের ঘনিষ্ঠ ডানপন্থি গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও যুক্তরাষ্ট্রের কিছু সিনেটরকে ব্যবহার করে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
সমঝোতা স্মারকের অংশ হিসেবে লেবানন-সংক্রান্ত শর্ত মেনে চলতে ইসরাইলকে কঠোর বার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক মাইক হানা জানিয়েছেন, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এ বিষয়ে ইসরাইলকে খুবই কঠোর ভাষায় সতর্ক করেছেন। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা করেছেন, বিশেষ করে যখন তিনি আশঙ্কা করেছিলেন যে লেবাননে ইসরাইলের কার্যকলাপ এই সমঝোতা স্মারকটি পাস করানোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।
এই চুক্তিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী ইসরাইলপন্থি লবি ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনা করেছে এবং এটি মার্কিন কংগ্রেসের বহু ইসরাইল-সমর্থক সদস্যের মধ্যে প্রশ্ন ও অসন্তোষ তৈরি করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগে লেবাননকে আলাদা বিষয় হিসেবে ইঙ্গিত দিলেও এই সমঝোতা স্মারকে খুব স্পষ্টভাবে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে ইসরাইলকে অবশ্যই লেবাননে কোনো কার্যকলাপ না চালানোর শর্ত মেনে চলতে হবে এবং ট্রাম্প প্রশাসন সব সমালোচনা সত্ত্বেও নিজেদের এই অবস্থানে অনড় রয়েছে।
এদিকে চূড়ান্ত চুক্তি কার্যকর হতে এখনও দুই মাস সময় বাকি থাকায় ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু চান না চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হোক। এক ইসরাইলি কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, নেতানিয়াহুর লক্ষ্য হলো চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়বস্তু নিজের অবস্থানের অনুকূলে নিয়ে আসা এবং এজন্য তিনি নিজের ঘনিষ্ঠ ডানপন্থি গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও যুক্তরাষ্ট্রের কিছু সিনেটরকে ব্যবহার করে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন