ঢাকা নিউজ

ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গ: একাধিক সড়ক ও সেতু যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন



ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গ: একাধিক সড়ক ও সেতু যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
ছবি : সংগৃহীত

টানা তিন দিন ও রাতের ভারী বর্ষণে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলার জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত প্রবল বৃষ্টির কারণে সমতল ও পাহাড়ি এলাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। তবে শনিবার সকালে বৃষ্টি থাকলেও বিকেলের পর থেকে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে বৃষ্টি সাময়িক থামে। অতিবৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের নদীগুলোতে পানিস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দার্জিলিং যাওয়ার সড়কেও ধস নেমেছে।

প্রবল বৃষ্টির কারণে ফুঁসতে থাকা বালাসন নদীর পানির তোড়ে হিউম পাইপ দিয়ে তৈরি করা অস্থায়ী দুধিয়া সেতুটি তলিয়ে গেছে, যার কারণে শিলিগুঁড়ি থেকে মিরিক যাওয়ার সড়ক যোগাযোগ এই মুহূর্তে সম্পূর্ণ ব্যাহত হয়েছে। এরই মধ্যে ভারতের ১১০ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর পানি উঠে যাওয়ার কারণে তা বন্ধ হয়ে গেছে এবং মহানন্দা নদীর কাছে খারসাং থেকে শিলিগুঁড়ি পর্যন্ত তিন লাইনের সড়ক ভেঙে গেছে। ফলে শিলিগুঁড়ি থেকে সিকিম যাওয়ার সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলা প্রশাসন মহানন্দার ফুলবাড়ী ব্যারাজের গেট খুলে দিয়েছে এবং তিস্তার পানির স্তরের ওপর ২৪ ঘণ্টার নজরদারি চালাচ্ছে। তবে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল আপাতত স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে কলকাতার আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের প্রাদেশিক কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, এ সপ্তাহে উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার এবং রোববার সেখানে রেড আলার্ট জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার ও জলপাইগুঁড়ি জেলায় অতিভারী বৃষ্টির এই পূর্বাভাস রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

রোববার, ২১ জুন ২০২৬


ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গ: একাধিক সড়ক ও সেতু যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬

featured Image

টানা তিন দিন ও রাতের ভারী বর্ষণে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলার জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত প্রবল বৃষ্টির কারণে সমতল ও পাহাড়ি এলাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। তবে শনিবার সকালে বৃষ্টি থাকলেও বিকেলের পর থেকে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে বৃষ্টি সাময়িক থামে। অতিবৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের নদীগুলোতে পানিস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দার্জিলিং যাওয়ার সড়কেও ধস নেমেছে।

প্রবল বৃষ্টির কারণে ফুঁসতে থাকা বালাসন নদীর পানির তোড়ে হিউম পাইপ দিয়ে তৈরি করা অস্থায়ী দুধিয়া সেতুটি তলিয়ে গেছে, যার কারণে শিলিগুঁড়ি থেকে মিরিক যাওয়ার সড়ক যোগাযোগ এই মুহূর্তে সম্পূর্ণ ব্যাহত হয়েছে। এরই মধ্যে ভারতের ১১০ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর পানি উঠে যাওয়ার কারণে তা বন্ধ হয়ে গেছে এবং মহানন্দা নদীর কাছে খারসাং থেকে শিলিগুঁড়ি পর্যন্ত তিন লাইনের সড়ক ভেঙে গেছে। ফলে শিলিগুঁড়ি থেকে সিকিম যাওয়ার সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলা প্রশাসন মহানন্দার ফুলবাড়ী ব্যারাজের গেট খুলে দিয়েছে এবং তিস্তার পানির স্তরের ওপর ২৪ ঘণ্টার নজরদারি চালাচ্ছে। তবে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল আপাতত স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে কলকাতার আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের প্রাদেশিক কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, এ সপ্তাহে উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার এবং রোববার সেখানে রেড আলার্ট জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার ও জলপাইগুঁড়ি জেলায় অতিভারী বৃষ্টির এই পূর্বাভাস রয়েছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ