সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টকে কেন্দ্র করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফেনী জেলা আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব ওমর ফারুককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটি। বুধবার এনসিপির কেন্দ্রীয় দপ্তরের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এ অবস্থায় কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এএসএম সুজাউদ্দিনের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে নোটিশে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুনির্দিষ্ট কোনো বিবরণ উল্লেখ করা হয়নি।
ওমর ফারুক সম্প্রতি তার ফেসবুক আইডিতে লেখেন, জেলা এনসিপিতে অযোগ্য একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যার কোনো সংগঠন চালানোর অভিজ্ঞতা ও মুরোদ নেই, আছে শুধু আহ্বায়ক নামের একটি পদ। তিনি কমিটির এসব অযোগ্য ও কোরামবাজ লোকজনকে বাদ দিয়ে যোগ্য সংগঠকদের মাধ্যমে কমিটি দেওয়ার দাবি জানান।
একই পোস্টের কমেন্টে দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাতকে উদ্দেশ্য করে ফারুক লেখেন, তিনি যেন ওই ব্যক্তিকে আর কোনো সাপোর্ট না দেন, কারণ উনি নাম বিক্রি করে ফেনী জেলা এনসিপিকে অস্থিতিশীল করে যাচ্ছেন। ফারুক আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনকালীন আহ্বায়কের একক সিদ্ধান্তে দাগনভূঞা কেন্দ্রিক একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়ে দলটিকে কোণঠাসা করা হয়েছে এবং বর্তমান অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়াতেই এক বছরের বেশি সময় লাগবে। তিনি সিফাত ও এএসএম সুজাউদ্দিনকে এ বিষয়ে জানালেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেননি এবং তাদের এসব পদক্ষেপ ফেনী জেলা এনসিপির জন্য অশনিসংকেত।
দলীয় নেতাকর্মীদের ধারণা, এই ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ এনে শোকজ নোটিশ জারি করেছে। উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ ডিসেম্বর জাহিদুল ইসলাম সৈকতকে আহ্বায়ক এবং শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিককে সদস্য সচিব করে ফেনী জেলা এনসিপির ৬৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টকে কেন্দ্র করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফেনী জেলা আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব ওমর ফারুককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটি। বুধবার এনসিপির কেন্দ্রীয় দপ্তরের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এ অবস্থায় কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এএসএম সুজাউদ্দিনের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে নোটিশে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুনির্দিষ্ট কোনো বিবরণ উল্লেখ করা হয়নি।
ওমর ফারুক সম্প্রতি তার ফেসবুক আইডিতে লেখেন, জেলা এনসিপিতে অযোগ্য একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যার কোনো সংগঠন চালানোর অভিজ্ঞতা ও মুরোদ নেই, আছে শুধু আহ্বায়ক নামের একটি পদ। তিনি কমিটির এসব অযোগ্য ও কোরামবাজ লোকজনকে বাদ দিয়ে যোগ্য সংগঠকদের মাধ্যমে কমিটি দেওয়ার দাবি জানান।
একই পোস্টের কমেন্টে দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাতকে উদ্দেশ্য করে ফারুক লেখেন, তিনি যেন ওই ব্যক্তিকে আর কোনো সাপোর্ট না দেন, কারণ উনি নাম বিক্রি করে ফেনী জেলা এনসিপিকে অস্থিতিশীল করে যাচ্ছেন। ফারুক আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনকালীন আহ্বায়কের একক সিদ্ধান্তে দাগনভূঞা কেন্দ্রিক একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়ে দলটিকে কোণঠাসা করা হয়েছে এবং বর্তমান অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়াতেই এক বছরের বেশি সময় লাগবে। তিনি সিফাত ও এএসএম সুজাউদ্দিনকে এ বিষয়ে জানালেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেননি এবং তাদের এসব পদক্ষেপ ফেনী জেলা এনসিপির জন্য অশনিসংকেত।
দলীয় নেতাকর্মীদের ধারণা, এই ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ এনে শোকজ নোটিশ জারি করেছে। উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ ডিসেম্বর জাহিদুল ইসলাম সৈকতকে আহ্বায়ক এবং শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিককে সদস্য সচিব করে ফেনী জেলা এনসিপির ৬৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন